এই গল্পের পূর্ববর্তী পর্ব
সকাল
ঘুম ভাঙল মাঙের জ্বালায়। পা নাড়তে গিয়েই টের পেলাম — ফোলা, গরম, শুকনো রক্তে চিটচিট, ভিতরে একটা ভারী টনটন, যেন কেউ ভিতরটা চেপে ধরে আছে।
চাদরটা দেখলাম। সাদা চাদরে লাল দাগ — শুকনো, গাঢ়, কয়েকটা লম্বা টানা, একটা বড় ছোপ। আমার নিজের রক্ত। লজ্জা লাগল, আবার কেমন গর্বও।
মা ঢুকে চাদরটার দিকে তাকালেন, তারপর খুব যত্ন করে ভাঁজ করতে লাগলেন — কোণা মিলিয়ে, ধীরে, মাপা কাজের মতো। ভাঁজ করা চাদরটা আলমারির উপরের তাকে তুলে রাখলেন।
“এটা তোর,” মা বললেন। “কেউ ছোঁবে না।”
তারপর কলতলায় নিয়ে গেলেন। ঠান্ডা পানি, আঙুল ডুবিয়ে মাঙে ছিটিয়ে দিলেন — ঝিলিক উঠল, পা কেঁপে গেল। মা আঙুল দিয়ে পরিষ্কার করলেন — শুকনো রক্ত, মাল, রস। তারপর একটা আঙুল ঢুকিয়ে দেখলেন, দুইটা।
“ফুলে আছে। ছেঁড়া জায়গাটা গরম।” মা গালে হাত রাখলেন। “আজ সারাদিন শুয়ে থাকবি, পা ফাঁক করে। সন্ধ্যায় একবার।”
“একবার?”
“একবার। সুমনের হোল সাত ইঞ্চি, মোটা। তুই কাল রাতে ছিঁড়েছিস। আজ একবারই যথেষ্ট।”
সারাদিন শুয়ে রইলাম। দুপুরে দাদা পাশে বসল, পায়ের পাতা ধরে টিপতে লাগল। মাং থেকে রস গড়াল। দাদা হেসে বলল, “শালা, এখনো ভিজে।”
“ব্যথা করে।”
“সন্ধ্যায় কম করব।” দাদা হাঁটুতে হাত রাখল। “কিন্তু একবারই। মা বলে দিয়েছে।”
সন্ধ্যা
মা গোসল করালেন, চুল বেঁধে দিলেন, গামছা জড়িয়ে ঘরে নিয়ে এলেন। নতুন চাদর না — পুরনো সেই সাদা চাদরটাই আবার পেতে দিলেন।
“এই চাদরেই হবে,” মা বললেন। “এতে তোর রক্ত আছে। রক্তের উপরেই আজ চুদবে।”
গামছা খুলে নিলেন। বাবাকে বললেন, “আজ তুই পাশে বস। দেখ।”
বাবা বিছানার কিনারায় বসলেন, হাত হাঁটুর উপর।
দাদা ঢুকল। মুখ ধোয়া, চুল ভেজা, হাতে একটা কাপড়। দরজা বন্ধ হল।
দাদা পাশে বসল, হাত বাড়িয়ে পেটে রাখল, তারপর মাঙের কাছে নামাল। আঙুল দিয়ে ফাটল ছুঁল, ছড়িয়ে ধরল, দেখল।
“ফুলে আছে,” দাদা ফিসফিস করে বলল।
“আঙুল দিয়ে দেখ,” মা বললেন। “ভিজিয়ে নে। শুকনো মাংয়ে হোল ঠেকাবি না।”
দাদা মুখ নামাল। জিভ বের করে নিচ থেকে উপরে লম্বা টান দিল — শুকনো রক্তের গন্ধ আর টক গন্ধ। তারপর জিভ ভিতরে ঢুকিয়ে ছপ ছপ চাটতে লাগল। জ্বালা করল, সাথে একটা নরম গরম ভাব।
“চাট,” মা বললেন। “ভালো করে ভিজা।”
দাদা ক্লাইটোরিস চুষে ধরল, আঙুল দিয়ে ফাটল ছড়িয়ে ভিতরে ঘষল। পা দিয়ে ওর পিঠে চাপ দিলাম।
“ওঃ দাদা—”
“লাগছে?” মা জিজ্ঞেস করলেন।
“হুম—”
“তাহলে ঠিক।” মা দাদাকে বললেন, “হোলটা বের কর।”
দাদা উঠে বসে প্যান্ট খুলল। হোলটা বেরিয়ে এল — খাড়া, মোটা, শিরা ফোলা, ডগা টকটলে লাল, ডগায় রসের ফোঁটা। কাল রাতে এটা দেখেই ভয় পেয়েছিলাম। আজও পেট শুকিয়ে গেল।
“মা,” দাদার গলা শুকনো।
মা হোলটা হাতে নিলেন, তারপর মুখে নিলেন — টানা টানা চুষলেন, লালা দিয়ে ভিজিয়ে দিলেন, ডগাটা গলার ভিতরে নিয়ে গিয়ে ছেড়ে দিলেন। দাদা দাঁত চেপে ধরল, চোখ বুজে ফেলল, পেট ভিতরে ঢুকে গেল।
“আহ্ মা—থামো—ফেটে যাবে—”
মা ছেড়ে দিলেন, ঠোঁট মুছলেন। “এবার। আস্তে। ভিতরে ঢুকে থেমে যাবি। নড়বি না।”
দাদা ডগাটা মাঙের ঠোঁটে রাখল। ঠেকল। শ্বাস ধরে রাখলাম।
“পোঁদ উঁচু কর,” মা বললেন।
তুললাম। দাদা ঠেলল। ডগাটা ঢুকল, তারপর চেনা জায়গায় গিয়ে ঠেকে গেল — সতীচ্ছদের জায়গা, এখনো ফোলা। দাদা সাথে সাথে থেমে গেল।
“থাম। শ্বাস নে, মা।”
শ্বাস নিলাম। মা আমার হাত ধরলেন। দাদা নড়ল না, শুধু হাঁপাচ্ছে, পেটের পেশি টান খেয়ে আছে।
“এবার অল্প।”
আধ ইঞ্চি। জ্বালা করল, দাঁত চেপে ধরলাম। আরও আধ ইঞ্চি। মা আঙুল দিয়ে ঠোঁট ছড়িয়ে জায়গা করে দিলেন। আরও আধ ইঞ্চি। তারপর দাদা থেমে গেল, একদম স্থির।
এক মিনিট। দুই মিনিট। জ্বালা মিলিয়ে গেল।
“ভালো,” মা বললেন। “দাদার হোল মোটা, তাই টান লাগছে। সময় দে।”
অপেক্ষা করলাম। দাদা খুব ধীরে একটু কোমর নাড়ল — আধ ইঞ্চি ভিতরে, আধ ইঞ্চি বাইরে। ভিতরের দেয়াল সরে যেতে লাগল, পথ ছেড়ে দিল। রস গড়িয়ে দাদার হোল বেয়ে নিচে, চাদরে রক্তের দাগের উপর।
“ঢিল হচ্ছে,” মা বললেন। “দেখ, রস ঝরছে। আরও ঢোকা।”
দাদা ঠেললেন। বাকিটা ঢুকে গেল, গোড়া পর্যন্ত। পেটের তলায় ভারী চাপ, ঠাসা — ফাটার মতো না। দাদা লম্বা শ্বাস ছাড়ল, প্রায় গোঙানির মতো।
“ও মা—” গলা ভাঙল।
“এবার চোদ। ছোট ছোট ঠাপ। একদম আস্তে।”
দাদা টানলেন, আবার ঠেললেন। পুরোটা বেরিয়ে আবার পুরোটা ঢুকছে, প্রতিবার পেটের তলায় চাপ। প্রথম কয়েকটা ঠাপে জ্বালা, তারপর জ্বালা কমে গরম ছড়ানো ভাব।
“আস্তে,” মা হাত দিয়ে দাদার কোমরে চাপ দিলেন। “তাড়াহুড়ো করিস না।”
“করছি না,” দাদা হাঁপাল, “আর আস্তে কী করে করব মা।”
“এই ঠিক আছে। এই ছন্দে থাক।”
মা আমার একটা বোঁটা মুখে নিলেন, চুষতে লাগলেন, আরেক হাত বাড়িয়ে দাদার অণ্ডকোষ ধরে টিপতে লাগলেন। দাদার গতি একটু বাড়ল, তারপর নিজেই কমিয়ে দিল।
“দাদার হাত দে,” মা বললেন। “ফাটলের উপরে ঘষ।”
দাদার আঙুল ক্লাইটোরিসে এল, ঠাপের সাথে তাল মিলিয়ে বৃত্ত ঘুরতে লাগল। জ্বালার ভিতরে গরম সুড়সুড়ি ঢুকে গেল। কোমর নিজে থেকেই নড়ল।
“ওঃ—”
“দেখ,” মা বললেন, “নিজেই ঠাপ নিচ্ছে। এখন আর ভয় নেই।”
“মা, তোমার মাং—”
“আমার মাং না, ওর গুদ। আজ ওর গুদে জোর দে।”
দাদা জোর দিল। আঙুল জোরে ঘুরল, ঠাপ গভীর হল। মাংটা ঠাপে ঠাপে চুষে ধরছে, ভিতরে টেনে নিচ্ছে, ছাড়ছে না।
“শালা, গুদটা কী টাইট,” দাদা গর্জে উঠল। “হোল চুষে ধরছে, ছাড়তেই দিচ্ছে না।”
“চুদে ফাটিয়ে দে,” মা বললেন। “বোনের গুদটা এমন করে চোদ যেন সাতদিন মনে থাকে।”
“ওঃ দাদা—আরও জোরে—”
দাদা আরও জোরে দিল। বিছানা ক্যাঁচ করে উঠল। ভিতরে গরম ভারী হয়ে জমতে লাগল — ধীরে, ছড়িয়ে পড়া, পেটের তলায় টান।
“চিত্কার কর,” মা বললেন। “আজ যত পারিস চিত্কার কর।”
বাবা পাশে বসে ছিলেন, কিছু বলছিলেন না। মা উঠে বাবার দিকে ঝুঁকে পড়লেন, হোলটা হাতে নিলেন। “এখন তোর পালা,” মা বললেন, “আমার গুদটা ভিজিয়ে রাখ।”
বাবা মাকে পাশে শোয়ালেন, আর মা পা ছড়িয়ে দিলেন। এখনো এক ঘর, এক চাদর, দুই জোড়া — শুধু আজ উল্টো।
দাদা আমার পা দুটো কাঁধে তুলে দিল। কোণ বদলাল, ঠাপগুলো আরও গভীরে গিয়ে লাগছে, পেটের তলায় ধাক্কা দিচ্ছে।
“ওরে বাপ রে—ওখানে—”
“ওখানেই তো,” দাদা হাঁপাল। “ওখানেই চুদব।”
মা পাশ থেকে আমার বোঁটা ছেড়ে বললেন, “দাদার হোলটা একবার মুখে নে। চেটে নে। মাল আর রসের স্বাদ নে।”
দাদা হোলটা বের করে আমার মুখের কাছে ধরল। চকচকে, রসে ভেজা, আমার নিজের গন্ধ। জিভ বের করে ডগাটা চাটলাম, তারপর মুখে নিলাম। নিজের রসের স্বাদ — নোনতা, টক, তাতে মালের গন্ধ।
“আহ্,” দাদা গোঙাল, “শালা, মুখটাও চুষে ধরছে।”
“ঢোকা,” মা বললেন। “ওর গুদ খালি রাখিস না।”
দাদা হোলটা বের করে আবার ঢুকিয়ে দিল, এক ঠাপে প্রায় গোড়া পর্যন্ত। চিৎকার করে উঠলাম।
“ওঃ—”
“এবার জোরে,” মা বললেন। “ওর গুদ ছিঁড়ে গেছে, এখন জোর সইবে।”
দাদা জোরে চুদতে লাগল। পেটের ভিতরে গরম ভারী হয়ে এল, একটা টান জমল, তারপর ভেঙে গেল। পা শক্ত হয়ে গেল, পেট ধনুকের মতো বেঁকে গেল, চিৎকার বেরিয়ে গেল — লম্বা, ভাঙা, কাঁদার মতো। দাদা থামল না, একই ছন্দে চুদে গেল।
“থাম,” মা পাশ থেকে বললেন। “থাম। এবার ছাড়। ভিতরে ছাড়।”
দাদা তিন-চারটে জোরালো ঠাপ দিল, তারপর পোঁদ চেপে ধরে ভিতরে মাল ফেলতে লাগল। ছলা ছলা, গরম। আমার বুকে মুখ গুঁজে দিল, হাঁপাতে হাঁপাতে, আর আমি ছাদের দিকে তাকিয়ে পা কাঁপাতে লাগলাম।
পাশে মাও প্রায় একই সময়ে চিৎকার করে উঠলেন — “আসছে—ভিতরে দে—” বাবা ঠাপ বাড়ালেন, মা শরীর টান করে দিলেন।
কিছুক্ষণ চার জনই হাঁপাচ্ছিল।
মা উঠে বসলেন, দুই আঙুল দিয়ে মাঙের ঠোঁট ছড়িয়ে দেখলেন — ভিতরে মাল, রক্তের গন্ধ, লাল।
“ছেঁড়েনি,” মা স্বস্তির গলায় বললেন। “ফুলেছে, ব্যস।”
তুলো নিয়ে পরিষ্কার করলেন। দাদা পাশে গড়িয়ে পড়ে আমার চুলে হাত রাখল।
“ভালো করেছিস,” মা বললেন। “কালও একবার। এভাবে সপ্তাহখানেক, তারপর দুইবার।”
তারপর মা বাবার দিকে তাকালেন। “এখন আমারটা কর।”
সেই রাতেও দুই জোড়া। আমার ভিতরে মাল গরম গড়াচ্ছিল, পাশে মা চিৎকার করছিলেন।
তারপর
সপ্তাহখানেক একবার করে চলল। তারপর দুইবার। তারপর আর হিসেব রাখা লাগল না।
মাস তিনেক পর দাদা একদিন বলল, “শালা, তোর গুদ এখন কী সুন্দর খুলেছে।” মা হেসে বলেছিলেন, “দেখিয়ে দিয়েছি বলেই।”
মাগি পাড়ায় দাদা আর যায়নি। একদিনও না।
এখন
আজ আমার পঁচিশ। সাত বছর। বিয়ে হয়নি।
সুমন দাদা এখনো রাতে আসে। হোলটা সেই একই — মোটা, লম্বা, একদিনও কমেনি। আর আমার মাংও এখন ছোট নেই। ও যখন গোড়া পর্যন্ত ঢুকিয়ে দেয়, পেটের ভিতরটা টান খায়, তারপর ছেড়ে দেয়।
বাবা মাঝে মাঝে আসেন। মা রোজ সকালে আঙুল দিয়ে দেখেন।
আর আলমারির উপরের তাকে, একটা ভাঁজ করা সাদা চাদর পড়ে আছে। কেউ ধোয় না, কেউ ছোঁয় না। মাঝে মাঝে আমি নিজে খুলে দেখি — শুকনো, গাঢ়, পুরনো লাল দাগ। তারপর ভাঁজ করে আবার তুলে রাখি।
আঠারো বছরের সেই রাতে চাদরে পা গুটিয়ে কাঁপতাম। আজ পা ছড়িয়ে শুয়ে থাকি, কেউ বলতে হয় না।
মা ঠিকই বলেছিলেন — শুয়ে থাকলেই হয়।

মন্তব্য করুন