মহুয়ার একাকীত্ব পর্ব ২

এই পর্বটি মহুয়ার একাকীত্ব সিরিজের অংশ।

আগের পর্বের (মহুয়ার একাকীত্ব ১) পর….

সকালে ঘুম থেকে উঠে এখন প্রায়দিনই সোহমের লিঙ্গ শক্ত হয়ে থাকে। মায়ের সামনে লজ্জায় পড়ে যায় সোহম। কৈশোরের উৎসাহে সে এখন মেয়েদের নতুন চোখে দেখা শুরু করছে, আর মেয়েদের কথা ভাবলেই শরীরে নতুন অনুভূতি হচ্ছে, তার প্রভাবে লিঙ্গ শক্ত হয়ে যাচ্ছে। সেই শক্ত লিঙ্গ নাড়াচাড়া করে যে কি সুখ! এই সুখ তার এতদিন অজানা ছিল। কিন্তু এটা মা দেখলে রাগ করবে কিনা সে জানে না, তাই সকালে যখন নিজের অজান্তেই লিঙ্গ দাঁড়িয়ে থাকে তখন তার খুব ভয় করে। কোনরকম ওটা আড়াল করে দৌড়ে বাথরুমে ঢুকে যায় সে। অনেকক্ষন পর ওটা স্বাভাবিক হলে তখন বের হয়। তাছাড়া টিভি তে কোনো ছোট জামা পরা মেয়েকে দেখলে, প্রেমের দৃশ্য দেখলেও তার ঐটা শক্ত হতে শুরু করে।

নতুন নতুন জাঙ্গিয়া পরতে শিখেছে সোহম। তার ইচ্ছে করে বাড়িতেও জাঙ্গিয়া পরে থাকতে, তাহলে কখনও ওটা দাঁড়িয়ে পড়লে মা বুঝতে পারবে না। কিন্তু মা শিখিয়েছে জাঙ্গিয়া সারাদিন পরে থাকতে নেই, শুধু বাইরে গেলে পড়তে হয়। অথচ মেয়েরা সারাদিন জাঙ্গিয়া পরে থাকে। ওদের তো এরকম লিঙ্গ ও নেই, জাঙ্গিয়া না পড়লেও অসুবিধা নেই। তাও ওরা সারাদিন রাত পরে থাকে। মামাতো বোনেদের সে দেখেছে বাড়িতেও সারাক্ষণ স্কার্ট বা প্যান্টের নিচে জাঙ্গিয়া পরে থাকে।

এইসব নতুন নতুন বিষয় সে আজকাল লক্ষ্য করে চারপাশে। আর সঙ্গে আছে স্কুলের বন্ধুদের থেকে শেখা নিষিদ্ধ সব জিনিস। এই যেমন নতুন সে শিখেছে ক্লাসে ইচ্ছে করে মাটিতে পেন বা কিছু একটা ফেলে দিয়ে সেটা তোলার বাহানায় বেঞ্চের নিচে উঁকি মেরে বান্ধবীদের স্কার্টের নিচে দেখা। মেয়েদের জঙ্গিয়াকে প্যান্টি বলে এটাও সে জেনেছে সদ্য। রাতে ঘুমানোর সময় এইসব কথা ভাবতে তার খুব ভালো লাগে, কিন্তু ভাবতে গেলেই লিঙ্গ শক্ত হয়ে ওঠে, মায়ের সঙ্গেই যেহেতু ঘুমায় সোহম তাই মা বুঝে যাবে এটা একটা ভয় তার। ভয়ে সে উল্টো দিকে পাশ ফিরে কোলবালিশ চেপে শুয়ে থাকে।

আরেকটা ঘটনা হয়েছে গত দুদিন ধরে। সে একটা খুব অসভ্য স্বপ্ন দেখেছে দুদিন। সে দেখেছে ঘুমের মধ্যে তার মা তার লিঙ্গটা ধরছে। মুঠো করে ধরছে, নাড়াচ্ছে, এমনকি মুখ দিয়ে আদর করছে এরকমও স্বপ্ন দেখেছে সে। আবার দেখেছে মা তার ঠোঁটে চুমু খাচ্ছে, যেমন সিনেমার হিরো হিরোইনরা খায়। এমনকি মায়ের মুখের গন্ধটাও সে যেন ফিল করতে পারছে। যেন স্বপ্ন নয়, বাস্তব। এটা ভেবে তার খুব অদ্ভুত ফিলিং হচ্ছে। অন্য মেয়েদের দিকে সে বেশ কিছুদিন হলো দেখে, উল্টোপাল্টা চিন্তা করে। বন্ধুদের মোবাইলে দুষ্টু ছবিও দেখে স্কুলে। কিন্তু নিজের মা কে নিয়ে এরকম স্বপ্ন দেখে সে কি করবে বুঝতে পারে না।

সোহম এর মা সোহমের খুব বন্ধু, তারা একসঙ্গে ঘুরতে যায়, গল্প করে, সব কথা শেয়ার করে। মা তাকে খুব ভালবাসে, আদর করে, সেও মাকে আদর করে, চুমু খায়, জড়িয়ে ধরে। কিন্তু কোনোদিন তাতে ওরকম ফিলিং হয়নি। মা কোনোদিন ঠোঁটে চুমু খায়নি, গালে খায়, কপালে খায়। দুদিন ধরে এই অসভ্য স্বপ্নটা দেখে তার খুব অবাক লাগছে। তার মাও একজন মেয়ে, বয়সে অন্যান্য বন্ধুদের মা দের চেয়ে অনেক ছোট। মায়ের সঙ্গে তার বয়সের পার্থক্য মাত্র ২০ বছর। মা সুন্দরী, যদিও মা একদমই সাজগোজ করেনা, তাও সবাই বলে সোহমের মা খুব সুন্দরী। কিন্ত মা কে কোনোদিন এইভাবে দেখবে ভাবেনি সোহম। কেন যে দুদিন ধরে এরকম স্বপ্ন দেখছে কে জানে।

আজ সকালেও উঠে সোহমের ওটা দাঁড়িয়ে আছে। সে তাড়াতাড়ি উঠে বাথরুম যেতে গিয়ে মায়ের সামনে পড়ে গেল। মা একবার ঐদিকে তাকালো। মা কি একটু মুচকি হাসলো ওটা দেখে? সোহম দৌড়ে বাথরুমে চলে গেল। বাথরুমে ওটা নাড়াচাড়া করতে করতে হঠাৎ সোহম দেখলো বাথরুমের এক কোণে মায়ের একটা প্যান্টি পড়ে আছে। মায়ের প্যান্টি সে আগেও দেখেছে, আলমারিতে বা বারান্দায় মেলা অবস্থায়। কোনোদিন হাত দেয়নি। মা তাকে ছোটবেলায় শিখিয়েছে ব্রা প্যান্টিতে হাত দিতে নেই। তার কোনোদিন ইচ্ছেও হয়নি। আজ খুব ইচ্ছে করলো। “দরজা তো বন্ধ, মা তো জানতে পারব না, দেখি না হাত দিয়ে একবার, কি হবে?”

এরকম ভেবে জিনিসটা হাতে নিলো সোহম। খয়েরী রংয়ের জাঙ্গিয়ার মত দেখতে জিনিসটা, শুধু জাঙ্গিয়ার মত সামনে অত সেলাই নেই, সরু ইলাস্টিক, আর কোমরে ইলাস্টিকের কাছে একটা ছোট কাপড়ের ফুল আটকানো। হাতে নিয়ে নাড়াচাড়া করতে গিয়ে সোহম দেখলো ওটার নিচের দিকটা ভিজে ভিজে। খুব ইচ্ছে করলো হাত দিতে ভিজে জায়গাটায়। ওটা কি হিসু? উহু হিসু না, চটচট করছে, ঘন কিছু। আর একটা কেমন গন্ধ। নাকের কাছে এনে শুঁকল সোহম গন্ধটা। বোঁটকা একটা গন্ধ। সোহমের বুক ধড়াস ধড়াস করছে, মনে হচ্ছে মা বুঝতে পেরে যাবে। তারাতারি রেখে দিলো সোহম ওটা। ঠিক যেমন ভাবে পড়ে ছিল সেইভাবে। মুস্কিল হলো আজকে লিঙ্গটা কিছুতেই নরম হচ্ছে না।

অনেকক্ষন অপেক্ষা করার পর লিঙ্গ নরম হলে সোহম বেরোলো। মা জিজ্ঞেস করলো “কিরে, আজ এত সময় লাগলো?”
সোহম কোনো উত্তর দিলো না, তার খুব ভয় করছে মা বুঝে যাবে না তো?
মা ব্যস্ত হয়ে গেলো রান্নার কাজে। সোহম মাকে দেখলো, মা একটা হাউসকোট পরে কাজ করছে। সোহম জানে এটার ভেতরে নাইটি আছে একটা। সেটা পরে মা ঘুমোয়। আচ্ছা মাও কি সারাদিন জাঙ্গিয়া পরে থাকে? হঠাৎ এটা মাথায় এলো সোহম এর। মাও তো মেয়ে। মায়েরও মেয়েদের মত জামা কাপড়, মেয়েদের মত বুক, ব্রা পরে মা বাইরে বেরোলে। মা এখন অন্যদিকে তাকিয়ে কাজ করছে, সোহম জলখাবার খেতে খেতে দেখতে পাচ্ছে মা কে, মায়ের ছোটখাটো শরীর, অল্প উঁচু বুক, মাথার ওপর খোঁপা করে বাঁধা চুল। হঠাৎ মাকে খুব সুন্দরী মনে হলো সোহমের। তার ইচ্ছে করলো মাকে জড়িয়ে ধরতে। সে উঠে গিয়ে মাকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরলো। মা অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলো “কিরে, হঠাৎ এতো আদর?”

সোহম বলল “এমনি”
মহুয়া সোহমের মুখটা টেনে এনে গালে একটা চুমু খেলো। সোহম ও চুমু খেলো, তবে একটা না, অনেকগুলো। সাধারণত এমন করে না সে। আজ কি হলো সে মায়ের গালে ৫-৬ টা চুমু খাওয়ার আগে থামতেই পারল না। আর খুব শক্ত করে জড়িয়ে ধরলো মা কে চুমু খাওয়ার সময়। মায়ের শরীরটা কি নরম। জড়িয়ে ধরতে গিয়ে মায়ের একদিকের বুকে হাত লেগে গেছিল, কি নরম মায়ের বুকটা। আরো অনেকক্ষণ যদি জড়িয়ে থাকা যেত!

মহুয়া বলল “বাব্বা, আজ মাকে এত আদর যে? কি ব্যাপার? টাকা লাগবে?”
সোহম “ধুস্, বললাম তো এমনি। আর করব না আদর” বলে অভিমান করে সরে গেলো। মহুয়ার খারাপ লাগলো, আহারে ছেলেটা আদর করতে এলো আর সে এরকম করে বলল। মহুয়া তাড়াতাড়ি গ্যাস কমিয়ে দিয়ে সোহম কে হাত টেনে ধরে জড়িয়ে ধরলো সামনে থেকেই। সোহম আর তার হাইট সমান সমান। জড়িয়ে ধরে মুখের কাছে মুখ এনে মহুয়া বলল “আমার লক্ষী সোনা, সরি বাবা, আমি মজা করছিলাম তো”। বলে সোহম এর মাথাটা ধরে গালে কপালে অনেক অনেক চুমু খেলো মহুয়া। সোহম অনুভব করলো মায়ের দুটো বুক তার বুকে লেপ্টে আছে, সে আলাদা আলাদা করে অনুভব করতে পারছে তাদের। সোহম মা কে জড়িয়ে ধরলো দুই হাত দিয়ে। খুব ইচ্ছে করলো মা যদি তাকে ঠোঁটে একটা চুমু খায়।

আদর করা থামিয়ে মহুয়া সোহম এর একদম মুখের সামনে মুখ এনে কথা বলছিল। চুলটা ঘেঁটে দিচ্ছিল কথা বলতে বলতে। সোহম এর প্রচণ্ড ইচ্ছে করলো ঠোঁটে একটা চুমু খেতে। কিন্তু কোনোদিন তো খায়নি ঠোঁটে। সে ইচ্ছে করে গালে চুমু খাওয়ার মতো করে ঠোঁটের একদম কাছে একটা চুমু খেলো, যাতে কিছুটা ঠোঁট ও তার ঠোঁটে ঠেকলো। সোহম অনুভব করলো তার লিঙ্গ আবার শক্ত হয়ে গেছে। ভয়ে তাড়াতাড়ি নিজেকে ছড়িয়ে নিয়ে সে পালিয়ে গেলো। মহুয়া মনে মনে বলল “পাগল ছেলে একটা”।

সারাদিন স্কুলে তার মায়ের কথা মনে হতে থাকলো। মাকে কোনোদিন একটা মেয়ে হিসেবে দেখেনি সোহম। কিন্তু গত কয়েকদিন থেকে তার চোখে মা একজন যুবতী নারী হিসেবে ধরা দিচ্ছে। মাকে আড়চোখে লুকিয়ে লুকিয়ে দেখতে ইচ্ছে করছে। ভয় হচ্ছে মা বুঝে যাবে বুঝি।

সারাদিন মহুয়াও ছেলের কথা ভাবলো কাজের ফাঁকে ফাঁকে। ছেলেটা বড় হয়ে গেছে, আরোও বড় হলে হ্যান্ডসাম হবে তার ছেলে, আর হবে খুব পুরুষালি। এখনই এত বড় লিঙ্গ তার। এটা ভেবে লজ্জা করে মহুয়ার। ছেলের লিঙ্গ সে হাতে ধরেছে, মুখ দিয়েছে…. ছি ছি…. ছেলে কোনোদিন জানতে পারলে কি ভাববে? কিন্তু এটাও ঠিক গত দুদিন থেকে তার মনে একটা অন্যরকম অনুভূতি হচ্ছে। সেক্স না পেয়ে পেয়ে তার মনের ভেতর অবসাদ জমেছিল, গত দুদিন ধরে সেটা অনেকটা কেটে গিয়ে একটা উত্তেজনা তৈরী হয়েছে। যেন কিশোরীর নতুন প্রেম হয়েছে। ছেলেকে আড়চোখে লুকিয়ে দেখছে মহুয়া। আজ সকালে ছেলের ঐটা দাঁড়িয়ে ছিল, দেখে ফেলেছে সে। ছেলে আড়াল করে দৌড়ে বাথরুমে ঢুকে গেলেও মহুয়া দেখে ফেলেছে। ছেলে যখন পেছন থেকে জড়িয়ে ধরেছিল তখনও নিজের পেছনে অনুভব করেছে ছেলের পুরুষাঙ্গ। ছেলে যখন জাপটে ধরে আদর করছিল সারা গা শিরশির করছিল মহুয়ার। সেই প্রথম প্রথম বর আদর করলে যেমন হতো। তার এতদিনের বোরিং জীবনে যেন একটা নতুন উত্তেজনা এসেছে হঠাৎ। মনটা তাই ভালো আছে কাল থেকে।

সন্ধ্যে বেলা ফিরে মহুয়া ছেলেকে তার প্রিয় জলখাবার বানিয়ে দিলো। ছেলের পড়াশুনা হয়ে গেলে অনেকক্ষন বসে গল্প করলো দুজনে। ছেলের সঙ্গ মহুয়া এমনিই খুব উপভোগ করে, তারা অনেক গল্প করে। কিন্তু আজ যেন আরো ভালো লাগছিল, মনে হচ্ছিল কোনো পুরুষ মানুষের সঙ্গে কথা বলছে সে। খুব ইচ্ছে করছিল ছেলের কাঁধে মাথা রেখে বসতে। কতদিন কারো কাঁধে মাথা রাখেনি সে, বড় ক্লান্ত লাগে। ছেলে কথা বলার সময় মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকে মহুয়া।

রাতে শুতে যাওয়ার আগে মহুয়া চুল বাঁধছিল, সোহম মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে ছিল। দুই হাত ওপরে তুলে মাথায় পেছনে চুল বাঁধছিল মহুয়া, কি অপূর্ব লাগছিল দেখতে, অবাক হয়ে তাকিয়ে ছিল সোহম। সোহম জানে মা বাড়িতে ব্রা পরে না, এখন হাত তুলে থাকায় বুক গুলো প্রায় স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। বোঁটা গুলোও বোঝা যাচ্ছে স্পষ্ট। মুগ্ধ চোখে তাকিয়ে ছিল সোহম। মহুয়া খেয়াল করলো সেটা। ছেলের চোখে এই মুগ্ধতা তার ভালই লাগলো। বুঝতে পেরেও ইচ্ছে করেই ছেলের দিকে তাকালো না সে, যাতে ছেলে লজ্জায় না পড়ে যায়। বয়ঃসন্ধির সময় এই জিনিস স্বাভাবিক। পথে ঘাটে মুগ্ধ দৃষ্টি মহুয়া কম দেখে না, অনেকরকম প্রস্তাবও পায় কাজের জায়গায়। কোনোদিন কাউকে প্রশ্রয় দেয়নি সে। আজ ছেলেকে একটু প্রশ্রয় দিতে ভালো লাগলো তার। আর একটা জিনিষ জানার জন্য খুব কৌতূহল হলো তার, আচ্ছা তাকে দেখে কি ছেলের ঐটা জেগে ওঠে? এটা ভেবেই খুব লজ্জা করলো মহুয়ার। নিজের মনেই নিজেকে তিরস্কার করে অন্য দিকে ঘুরে চুল বাঁধতে লাগলো সে।

মাঝরাতে হঠাৎ মহুয়ার ঘুম ভেঙে গেলো, সোহম ঘুমের ঘোরে তার গায়ে একটা পা তুলে দিয়েছে, ঠিক তলপেটে তার হাঁটুটা এসে পড়েছে, সেই অভিঘাতেই ঘুম ভেঙে গেছে তার। কতদিন পর মহুয়ার তলপেটে কারো স্পর্শ। ঘুম পুরোপুরি কেটে গেছে তার। আরামে চোখ বুজে আসছে। সোহমের পায়ে আলতো করে হাত বুলিয়ে দিতে লাগলো মহুয়া, হাফ প্যান্ট টা অনেকটা উঠে আছে, পুরো থাই টায় হাত বুলিয়ে দিতে লাগলো মহুয়া। খুব আরাম লাগছে তার নিম্নাঙ্গে। একবার তাকিয়ে দেখলো ছেলে ঘুমাচ্ছে অঘোরে। আহারে…. কি সুন্দর আর মায়াবী লাগছে মুখটা। মুখ বাড়িয়ে একটা চুমু খেলো মহুয়া ছেলের ঠোঁটে। ঠোঁটদুটো নড়ে উঠলো একটু যেন। ভয়ে আবার স্থির হয়ে গেলো মহুয়া। একটু পরে আবার সাহস করে চুমু খেলো একটা। ছেলে ঘুমের মধ্যেই একটা হাত দিয়ে জড়িয়ে ধরলো মহুয়াকে। হাঁটুটা এখনো মহুয়ার ওখানে ঠেকে আছে।

ছেলের হাতটা আস্তে করে ধরলো মহুয়া, তারপর অল্প অল্প করে সরিয়ে হাতটা নিজের একটা বুকের ওপর এনে রাখলো। আহহ কত্তদিন পর মহুয়ার বুকে কোনো পুরুষের হাত। সোহমের হাতটা বয়স আন্দাজে বেশ বড়সড়, মহুয়ার ৩২ সাইজের বুক পুরোটা ঢেকে গেলো সোহমের পাঞ্জায়। সোহমের হাতের ওপর নিজের হাত রেখে আলতো চাপ দিলো মহুয়া। ঘুমের মধ্যে রিফ্লেক্স একশনে সোহমের হাত যেন নিজেই একটু চেপে ধরলো মহুয়ার বুকটা। আরামে মহুয়া গুঙিয়ে উঠলো।

খুব সাবধানে ভয়ে ভয়ে নড়াচড়া করছে মহুয়া, ছেলে জেগে গেলেই সর্বনাশ। একটা হাত ছেলে হাতের ওপর, আরেকটা হাত খুব সাবধানে আস্তে আস্তে নিচের দিকে নিয়ে গেলো মহুয়া। তারপর চোখ বন্ধ করে ঘুমের ভান করে হাতটা একটু একটু করে সোহমের প্যান্টের কাছে নিয়ে গেলো। বুকটা ধকধক করছে এমন, মনে হচ্ছে এক্ষুনি ছেলে জেগে যাবে। আস্তে করে হাতটা সোহমের লিঙ্গতে ঠেকালো মহুয়া। ঠেকিয়ে কিছুক্ষণ থেমে থাকলো, ছেলে নড়াচড়া করছে না দেখে সাহস করে আরেকটু ভালো করে হাত দিলো। তারপর আলতো করে মুঠো করে ধরলো লিঙ্গটা। এখন নরম ওটা, তাও বেশ ভালো সাইজ ওটার।

মহুয়া টের পাচ্ছে প্যান্টি ভিজে রস গড়িয়ে পড়ছে নিচে। খুব অস্বস্তি হচ্ছে ওখানে, একটু হাত দিতে ইচ্ছে করছে। মনে হচ্ছে ১০০ টা সুড়সুড়ি পিঁপড়ে একসঙ্গে হেঁটে বেড়াচ্ছে প্যান্টির ভেতরে। বুক থেকে ছেলের হাতটা সরিয়ে হাতটা আস্তে আস্তে নিচে নিয়ে গেল মহুয়া। নিজের নিম্নাঙ্গে রাখলো হাতটা। একটু চেপে ধরলো হাতটা নিজের হাত দিয়ে। আরামে চোখ বুজে আসছে মহুয়ার। আস্তে আস্তে নিজের নাইটিটা গুটিয়ে তুলতে লাগলো মহুয়া। নিজের ওপর আর কোনো কন্ট্রোল নেই তার। অন্য হাত দিয়ে ছেলের লিঙ্গটা ধরে আছে। সেটাও হাতের ছোঁয়া পেয়ে আস্তে আস্তে শক্ত হচ্ছে। মহুয়ার ইচ্ছে করছে ছেলেকে জাগিয়ে ওর সঙ্গে সেক্স করতে।

ছি ছি! এসব কি ভাবছে মহুয়া। নিজের ওপর ঘেন্না আর রাগ হলো হঠাৎ খুব। নিজের পেটের ছেলেকে নিয়ে এসব কি করছে সে। কিন্তু কিছুতেই নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারছে না সে। কি করবে সে? প্রচণ্ড সুরসুর করছে নিচে। থাকতে পারছে না মহুয়া। নাইটিটা পুরোটা তুলে ছেলের হাতটা প্যান্টির ওপর চেপে ধরলো মহুয়া। আর আরামে “মমম” করে আওয়াজ করে ফেললো। সোহম হঠাৎ নড়ে উঠলো একটু, বোধহয় আওয়াজে জেগে গেছে। বা লিঙ্গে হাতের চাপ পড়ে জেগে গেছে একটু। মহুয়া তাড়াতাড়ি নিজের হাত সরিয়ে নিয়ে নাইটিটা নামিয়ে নিলো। সোহমের হাতটা নিচেই থাকলো তখনও।

ঘুমের মধ্যেই সোহম একটু নড়ে উঠে আরোও চেপে জড়িয়ে ধরলো মহুয়াকে। মহুয়ার ঘাড়ে নিশ্বাস পড়ছে সোহমের। ঘাড়ে মহুয়ার হটস্পট, ওখানে কিছু হলে ওর প্রচণ্ড সেক্স উঠে যায়। আগে কোনদিন মুড না থাকলে অশোক ইচ্ছে করে ঘাড়ে হাত বুলিয়ে ওকে উত্তেজিত করে তুলতো। এখন ছেলের নিঃশ্বাস পড়ে ওর অবস্থা খারাপ হয়ে গেলো। মহুয়া আর থাকতে না পেরে ছেলেকে জড়িয়ে ধরলো। দেখলো ছেলেও আরো জোরে জড়িয়ে ধরলো ঘুমের মধ্যেই। মহুয়া টের পেলো তলপেটে ছেলের লিঙ্গ খোঁচা মারছে, ওটা দাঁড়িয়ে গেছে অলরেডী। হাত বাড়িয়ে লিঙ্গটা ধরলো মহুয়া। ইস যদি একটু মুখ দেওয়া যেতো ওটায়!

ছেলের মুখটা একদম সামনে। লোভ সামলাতে না পেরে ঠোঁটে একটা চুমু খেলো মহুয়া। আবার একটা। আবার। চুমুতে ভরিয়ে দিলো ছেলের ঠোঁট। ঠোঁট দুটো ফাঁক করে জিব ঢুকিয়ে দিলো মুখের ভেতরে। রাতে ব্রাশ করে সোহম। মুখে একটা ফ্রেশ গন্ধ। অশোকের মুখে সিগারেটের গন্ধ থাকতো, তেতো স্বাদ, সেটা মিস করছিল মহুয়া।

একহাতে ছেলের প্যান্টটা নামিয়ে লিঙ্গটা ভালো করে ধরলো মহুয়া। তার আর নিজের ওপর কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। সে ছেলেকে চুমু খেতে খেতে ছেলের লিঙ্গ নাড়াতে থাকলো। সোহম ঘুমের মধ্যেই মহুয়াকে চেপে ধরছে বারবার। খামচে ধরছে পিঠে, নাইটি খামচে ধরছে কখনও। মহুয়ার ঠোঁট কামড়ে ধরলো একবার দাঁত দিয়ে। চিৎকার করতে গিয়ে সামলে নিলো মহুয়া নিজেকে।

প্রায় ৫ মিনিট এমন চলার পর হঠাৎ সোহম প্রচণ্ড জোরে কামড়ে ধরলো মহুয়ার নিচের ঠোঁট, আর ফিনকি দিয়ে বেরিয়ে এলো তার বীর্য। ভরে গেলো মহুয়ার নাইটি। প্রায় ১ মিনিট ধরে বীর্য বেরোনোর পর দাঁত আলগা হলো। হাতের রাশও আলগা হলো। নিস্তেজ হয়ে গেলো সোহম। মহুয়ার নিচের ঠোঁট কেটে তখন রক্ত পড়ছে।

মহুয়া আস্তে আস্তে নাইটিটা সামলে উঠে বসলো, বীর্য পুরোটাই তার নাইটিতে লেগে আছে। সেটাকে সাবধানে নিয়ে ছেলের হাত ছাড়িয়ে বাথরুমে গেলো মহুয়া। তারপর আঙুলে করে একটু বীর্য নিয়ে জিভে ঠেকালো….. “আহহ…. কতদিন পর এই স্বাদ”। চেটেপুটে সবটুকু বীর্য খেলো মহুয়া। খেতে খেতেই আগের রাতের মতো নিজেকে শান্ত করলো আঙুল দিয়ে। অনেকক্ষন ধরে চান করলো তারপর। তারপর খেয়াল হলো গামছা নেই বাথরুমে, গামছা বারান্দায় মেলা। অল্প একটু দরজা খুলে দেখল ছেলে ঘুমাচ্ছে তখনও। আলো নিভিয়ে অন্ধকারে উলঙ্গ হয়েই বাইরে এলো মহুয়া। আস্তে আস্তে গেলো বারান্দায়। জীবনে দ্বিতীয়বার উলঙ্গ হয়ে বারান্দায় এলো মহুয়া। আগে একবার অশোকের আবদারে এরকম মাঝরাতেই দিঘার হোটেলের বারান্দায় উলঙ্গ হয়ে বেরোতে হয়েছিল। বারান্দার রেলিং ধরে ঝুঁকে সেক্স করতে হয়েছিল অনেকক্ষণ। খুব ভয় করছিল সেদিন। আজ ভয় করছে না, অদ্ভুত লাগছে, যেন মুক্তির আনন্দ। ইচ্ছে করেই খানিকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলো মহুয়া। আশেপাশের সব বাড়ির জানলা বারান্দা অন্ধকার।

অনেকক্ষন পর ঘরে আসতে গিয়ে দেখলো সোহম জেগে গেছে, উঠে বসে অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে ঘুম ঘুম চোখে। বারান্দায় শুধু একটা গামছা ছিল, সেটাই গায়ে জড়িয়ে ঘরে এলো মহুয়া। আগে কোনদিন ছেলের সামনে ঐভাবে আসেনি সে। সোহম দেখে অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকলো। মহুয়া লজ্জায় তাড়াতাড়ি আলমারি থেকে একটা নাইটি আর প্যান্টি নিয়েই দৌড়ে বাথরুমে চলে গেলো।

বাথরুম থেকে বেরিয়ে দেখলো সোহম হতবাক হয়ে বসে আছে বিছানায়। অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে মহুয়ার দিকে। মহুয়া যেন কিছুই হয়নি এমন ভাব করে বলল “কিরে, বসে আছিস কেন? স্বপ্ন দেখেছিস নাকি? শুয়ে পড়”। বলে শুইয়ে দিলো ছেলেকে। তারপর ছেলেকে জড়িয়ে ধরে মাথায় হাত বুলিয়ে ঘুম পাড়িয়ে দিলো।

দ্বিতীয় পর্ব শেষ হলো। কেমন লাগছে আপনাদের কমেন্টে জানান।

বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রাপ্তবয়স্ক টেলিগ্রাম গ্রুপে যুক্ত হয়ে খুঁজে নিন নিজের সেক্স পার্টনার এবং হাজার হাজার ভাইরাল ভিডিও উপভোগ করুন।🔞 এখানে ক্লিক করুন

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!
Scroll to Top