আগের পর্বে (ছোটবেলার স্মৃতি ৪) আপনারা দেখেছেন কিভাবে বাবা মা তাদের anniversery উদযাপন করল আর আমি পেলাম একটা স্পেশাল গিফট। এখানে তার পরের ঘটনা বর্ণনা করবো। আর এডমিনকে অনুরোধ করব সবগুলো পর্ব একসঙ্গে একটা পোস্টে রাখতে, তাহলে সবার সুবিধা হবে পড়তে।
তো দিঘা থেকে পরদিন সকালে বাস ধরলাম বাড়ি ফেরার জন্য। আমার তো প্রচণ্ড টায়ার্ড লাগছিল। সমুদ্রে স্নান, দুপুরে রাতে দুবার মায়ের সঙ্গে খেলা, আমার খালি ঘুম পাচ্ছিল। এমনিতেই ওই সাদা আঠা বেরিয়ে গেলে খুব ক্লান্ত লাগে। বাবাও ক্লান্ত ছিল। বাসে উঠে ঘুমিয়ে পড়লাম আমি। আমি জানলার ধারে বসেছিলাম, মা মাঝখানে, বাবা ভেতর দিকে। বাসে এসি চলছিল তাই আমরা একটা চাদর চাপা দিয়ে বসেছিলাম একসঙ্গে তিন জন। শুধু মুখ গুলো বাইরে বেরিয়ে ছিল।
ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে যাচ্ছি হঠাৎ নুন্কু তে একটা কি নড়ছে মনে হলো, ঘুম ভেঙে গেলো। বুঝতে পারলাম ওটা আমার মায়ের হাত। মা আমার প্যান্টের ওপর দিয়ে আমার নুনুটা ধরছে। আমি অবাক হয়ে মায়ের দিকে তাকালাম। মা আমার দিকে তাকিয়ে বলল “যদি কিছু চাস তো চোখ বন্ধ করে থাক। নাহলে পাবি না”
আমি সঙ্গে সঙ্গে চোখ বুঝে ফেললাম। মা আমার নুনুটা হাতড়াতে থাকলো। আমার নুনু শক্ত হয়ে গেছে ততক্ষনে। আমি একবার চোখ খুলে বাবার দিকে তাকালাম। দেখলাম বাবা টিভি দেখছে। বাসে টিভিতে সিনেমা চলছিল একটা। গায়ে চাদর চাপা থাকায় চাদরের নিচে মা আমার নুনু ধরছে কেউ বুঝতে পারছিল না, বাবাও নয়।
আমি চোখ খুলতেই মা কটমট করে আমার দিকে তাকালো। আমি তাড়াতাড়ি আবার চোখ বুঝে ফেললাম। মা আবার আমার নুনু নাড়াতে লাগলো। প্রথমে প্যান্টের ওপর দিয়ে, তারপর প্যান্টের চেনটা নামিয়ে ভেতরে হাত ঢুকিয়ে দিলো, নুনুটা ধরে বাইরে বের করে আনল। আমার ভয় করছিল যদি চাদর সরে যায় আর সবাই আমার নুনু দেখে ফেলে? আমি চোখ খুলতেই মা হাত সরিয়ে নিল আর অন্য দিকে ঘুরে গেল। আমি তাড়াতাড়ি মায়ের হাতটা ধরে আমার নুনুর ওপর রাখলাম আর চোখ বুঝে নিলাম। ঠিক করলাম যা কিছু হয়ে যাক চোখ খুলবো না আর। মা চোখ খোলার শাস্তি হিসেবে আমার বিচিতে একটা চিমটি কাটলো। তারপর আবার নুনুটা ধরে নাড়াতে লাগলো। আমি চোখ বুঝে ফিল করতে থাকলাম। মা নুনুটা ধরে চটকাচ্ছে, ওপরের চামড়াটা খুলছে আর বন্ধ করছে, নুনুর মুন্ডিটা বুড়ো আঙুল দিয়ে গোল গোল ঘোরাচ্ছে।
একটু পরে মায়ের হাতটা সরে গেল। আমি তাড়াতাড়ি মায়ের দিকে তাকালাম, দেখলাম মা হাতটা নিজের মুখের কাছে এনে একটু থুতু নিলো হাতে। তারপর আবার হাতটা চাদরের নিচে ঢুকিয়ে আমার নুনুর মাথায় লাগিয়ে দিয়ে বুড়ো আঙুল দিয়ে ঘষতে লাগলো। থুতু লেগে স্লিপারি হয়ে গেলো নুনুর মাথাটা। কি আরাম যে হতে থাকলো। আমি কিছুতেই স্থির হয়ে বসে থাকতে পারছিলাম না, কিন্তু নড়লে যদি মা আর না করে তাই দম বন্ধ করে চোখ বুঝে বসে থাকছিলাম।
এরকম চলতে চলতে যখন আমার আর ধরে রাখার ক্ষমতা নেই আমি মায়ের হাতটা ধরলাম একবার। মা বুঝতে পারল আমার অবস্থা। বাসে সামনের সিটের পেছনে দুটো করে কালো প্লাস্টিক রাখা ছিল বমি হলে করার জন্য। মা হাত বের করে একটা প্লাস্টিক নিলো। বাবা দেখে বলল “বমি পাচ্ছে নাকি?”
মা বললো “গা গোলাচ্ছে একটু”। বলে প্লাস্টিক টা হাতে ধরে থাকলো। একটু পরে প্লাস্টিক সুদ্ধু হাতটা চাদরের নিচে ঢুকিয়ে নিলো। বাবা আবার জিজ্ঞেস করলো “কমলো?”
মা বললো “একটু কমলো, থাকুক হাতে প্লাস্টিক টা”
বাবাও বলল “হ্যাঁ হাতে থাকুক।”
আমি চোখ খুলে তাকিয়ে ছিলাম। মা আমার দিকে তাকিয়ে বলল “ঘুমিয়ে পড় আবার”। বলে চাদরের নিচে হাত ঢুকিয়ে আমার নুনুটা ধরলো আবার। তারপর ঐ প্লাস্টিক টা আমার নুনুর ওপর পড়িয়ে দিলো। তারপর প্লাস্টিক সমেত আমার নুনুটা নাড়াতে লাগলো।
আমার উত্তেজনা কিছুটা কমে গেছিল। মা অনেকক্ষণ নুনু ওপর নিচে করার পর ফিসফিস করে বলল “কিরে, ভাল্লাগছে না?” আমি মাথা নেড়ে হ্যাঁ বললাম। মা বললো “তাহলে?”
আমি কিছু বলতে পারলাম না। শুধু মায়ের দিকে তাকালাম মা রাগ করছে কিনা বোঝার জন্য। মা একবার সব দিকে তাকিয়ে দেখে নিলো। তারপর চাদরটা নিজের গলা অবধি ভালো করে টেনে নিলো। তারপর চাদরের নিচে আমার একটা হাত ধরে নিজের দুদুর ওপরে রাখলো। আমি মায়ের দুদুটা চেপে ধরলাম হাত দিয়ে। পুরো দুদুটা আমার মুঠোয় এলো না, কিছুটা এলো। সেই টুকুই চেপে ধরলাম আমি। মা নিজের হাত দিয়ে রাখলো আমার হাতের ওপর।
কিছুক্ষণ চাপাচাপি করার পরই ফিল করলাম মায়ের দুদুর বোঁটাটা এতো শক্ত হয়ে গেছে যে জামা আর ব্রা এর ওপর থেকে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। আমি সাহস করে দুটো আঙ্গুল দিয়ে বোঁটাটা ধরলাম। মা কিছু বলল না। আরেকটু সাহস করে টিপে দিলাম বোঁটাটা। মা “সসস” করে আওয়াজ করে ফেললো, আর আমার নুনুর ওপর খুব জোরে চাপ দিলো হাত দিয়ে। আমি তাকিয়ে দেখলাম মায়ের চোখ বন্ধ।
একটু সামলে নিয়েই মা আবার আমার নুনু ওপর নিচে নাড়াতে লাগলো। আমার নুনু তখন পুরো শক্ত। আর আমার হাতে মধ্যে মায়ের দুদু, দুদুর বোঁটা একদম শক্ত।
কয়েক মিনিট এরকম চলার পর আমার উত্তেজনা চরমে পৌঁছালো। আমি মায়ের হাতটা ধরলাম একটা হাত দিয়ে। মা বুঝতে পেরে প্লাস্টিকটা ভালো করে পড়িয়ে দিলো নুনুতে।তারপর নাড়াতে লাগলো জোরে জোরে। একটু পরে আমার আঠা বেরোনোর সময় হলো। আমি মায়ের বোঁটাটা খুব জোরে টিপে ধরলাম আর প্লাস্টিকের মধ্যে আঠা বের করে দিলাম। কয়েক মুহুর্ত স্থির হয়ে থাকলো মা। তারপর নুনুটা নাড়িয়ে পুরোটা আঠাটা প্লাস্টিকে নিয়ে নিলো। তারপর প্লাস্টিকটা সরিয়ে নিলো। তারপর প্লাস্টিকটা বাইরে বের করে বমি করার মতো করে মুখের সামনে ধরলো নিজের। একটু ওয়াক ওয়াক করে থুতু ফেললো ভেতরে। বাবা তাড়াতাড়ি জল বের করে দিলো। মা জল খেলো একটু। বলল “একটু ফেলে দিয়ে এসো না”।
বাবা উঠে বাইরে ফেলতে গেল প্লাসটিকটা। মা তখন আমার দিকে তাকিয়ে বলল “তোর তো লটারি লেগে গেছে রে, কতবার গিফট পেয়ে গেলি”।
আমি লজ্জা পেয়ে হাসলাম আর বললাম “থ্যাংকস মা”
মা বললো “এটাই লাস্ট। আবার অ্যানুয়াল পরীক্ষায় ফার্স্ট হলে তবে পাবি।” এটা বলতে বলতে আমার নুনুতে একবার হাত দিলো। আমি নুনুটা প্যান্টের ভেতর ঢোকাতে ভুলে গেছিলাম। মা হাত দিয়েই বলল “সরিয়ে দি চাদরটা?” বলে চাদরটা ধরে টান মারলো একটা। আমি তাড়াতাড়ি “না না” বলে চাদর চেপে ধরলাম আর নুনুটা ভেতর ঢোকাতে গেলাম। মা আমার নুনুটা ধরে বলল “থাক পরে ঢোকাস”। বলে চাদরটা ঠিকঠাক করে নিলো। ততক্ষণে বাবা এসে গেলো। বাবা বললো “ঠিক আছো এখন?” মা বললো “হ্যাঁ, ঠিক আছি। একটু চোখ বুঝে থাকি”।
এটা বলে মা চোখ বুঝে বসে আমার নুনুটা হালকা হালকা চটকাতে থাকলো। আমার কাতুকুতু লাগছিল, কিন্তু বারণ করতে পারছিলাম না, শুধু মায়ের হাতটা ধরে ছিলাম। কাল থেকে এতবার আঠা বেরিয়ে বেরিয়ে আমার নুনু আর শক্ত হচ্চিল না। এখনও আমার নুনুটা চটচট করছিল আঠা লেগে।
এইভাবে বাকি রাস্তা মা আমার নুনু ধরে খেলা করতে করতে এলো। আমার খুব ঘুম পাচ্ছিল কিন্তু ঘুমাতে পারলাম না, কারণ নুনুতে মায়ের হাত, অস্বস্তি আর কাতুকুতু। হিসি পেয়ে যাচ্ছিল। আমি একবার হাত সরিয়ে দিতে যাচ্ছিলাম, মা কটমট করে আমার দিকে তাকিয়ে বলল “এটা আমার, আমার যখন ইচ্ছে হবে যা ইচ্ছে হবে করবো, বুঝেছো?”
বলে জোরে একবার টিপে দিলো নুনু আর বিচিগুলো একসঙ্গে। আমি “আ” করে উঠলাম খুব আস্তে। তারপর মাথা নেড়ে হ্যাঁ বললাম। তারপর আর সাহস করিনি বাধা দিতে। শুধু ছটফট করছিলাম, কাতুকুতু লাগছিল খুব। মা নির্বিকার ভাবে অন্য দিকে তাকিয়ে নুনু চটকে যাচ্ছিল। চটকাতে চটকাতে বাবার সঙ্গেও গল্প করছিল। তারপর নামার সময় হলে নিজেই আমার নুনুটা প্যান্টের ভেতরে ঢুকিয়ে দিলো। ঢুকিয়ে দিয়ে বলল “যা, ছেড়ে দিলাম”।
বাবা জিজ্ঞেস করছিল “কি কথা হচ্ছে শুনি?”
মা আমার দিকে তাকিয়ে বাবাকে বললো “ওকে বোঝাচ্ছি যা মজা করার করে নাও, এই লাস্ট, বাড়ি গিয়ে আর কোনো মজা নয়। অ্যানুয়াল পরীক্ষায় ফার্স্ট হলে তবে আবার পাবে।”
বিকেলে বাড়ি পৌঁছে মা একদম আগের মত নরমাল। ব্যাগ ফাঁকা করছে, বকা দিচ্ছে আমাকে আর বাবাকে। আমি বুঝলাম আর কিছু হবে না, আবার মায়ের দয়া হলে তবে। অপেক্ষা করতে হবে ততদিন।
পর্ব ৫ এখানেই শেষ হলো।
বন্ধুরা, তোমরা কমেন্টে জানাও তোমাদের কেমন লাগছে এই কাহিনী। তোমাদের ভালো লাগলে তবেই পরের পর্ব লিখব।
বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রাপ্তবয়স্ক টেলিগ্রাম গ্রুপে যুক্ত হয়ে খুঁজে নিন নিজের সেক্স পার্টনার এবং হাজার হাজার ভাইরাল ভিডিও উপভোগ করুন।🔞 এখানে ক্লিক করুন


Dada golpo ta please ses korun lekha bondho korben ei rokom kore golpo khub bhalo hocche