আসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা আমার নাম কামরুল আমি দশম শ্রেণীর ছাত্র আমাদের পরিবারের আমি আর মা ছাড়া এখানে তেমন কেউ নেই আর বাবা দুবাইতে একটি দোকান দিয়েছে তাই বেশিরভাগ সময়ই বাইরেই থাকে আমাদের এমনি আত্মীয়-স্বজন অনেক আছে বেশ টাকা পয়সাও আছে আমাদের মধ্যে আমার মায়ের নাম রুকসানা বয়স ৪৭ আমার মা দেখতে খুব সুন্দর ফর্সা ও দুধের চেহারার অধিকারী মাকে নিয়ে আমি কখনো নোংরা চিন্তা করিনি বাড়িতে আমি আর মা দুজনেই থাকতাম বাবার দু তিন বছর পর পর একবার আসতো পরিবারের মধ্যে বাবার এক বড় বোন আছে ওদের সাথে আমাদের সম্পর্ক ভালোই ছিল বাবা ওদেরকে পয়সা দিয়ে সাহায্য করত তাই ওরা প্রায় সময় আমাদের বাড়িতে আসতো তখন গ্রীষ্মকাল চলছিল চারিদিকে রোদের ঝিলিক গরমের সময় অতিষ্ঠ হয়ে যাচ্ছিল এর মাঝে হঠাৎ একদিন মায়ের খুব জ্বর আছে।
ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনে এনে খাওয়াল জ্বর পড়ে যাচ্ছিল কিন্তু রাতে আবার কাঁপুনি দিয়ে দিয়ে মায়ের জ্বর আসছিল পরে আমরা এক ডাক্তারের শরণাপন্ন হলাম কিছু ওষুধ লিখে দিয়ে বলল যদি না কমে তখন রক্ত পরীক্ষা করতে হবে ওষুধ কিনে নিয়ে এসে খাওয়ালো কোন ধরনের গতি হয় না সেই জ্বর যেন তীব্রমাত্রায় বেড়েই যাচ্ছিল মায়ের খাওয়া দাওয়া ও বন্ধ হয়ে গিয়েছিল প্রায় শেষমেশ আর কিছু না পেরে আমরা রক্ত পরীক্ষা করায় রক্ত পরীক্ষায় টাইফয়েড ধরা পড়ে আমি একা মানুষ কি করব বুঝতে না পেরে বাবাকে ফোন দি বাবাকে সব কথা খুলে বলার পর বাবা বলল যে দাঁড়া তোর ফুফাকে ফোন করে আসতে বলি বিকেলের মধ্যে ফুফা আমাদের বাড়িতে এসে হাজির তারপর আমরা সবাই একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে নিয়ে যায় মাকে এখানে মায়ের অবস্থা দেখে ওনারা মাকে ভর্তি করার সিদ্ধান্ত নেই তারপর মাঠে ওই ক্লিনিকে ভর্তি করা হয় মায়ের দুই হাতে কেনলা ফিট করা হয় স্যালাইন চলছে এবং পাশাপাশি নানা ধরনের ইনজেকশন এনে নেই কেনলার মধ্যে পুশ করছে এই ক্লিনিকে আমার মায়ের সাথে আমি আর ফুফা আছি রাতে মাকে কোন খাওয়ার দাওয়াত দেওয়া হলো না আমরা নিজেরাই হোটেল থেকে খেয়ে এসেছিলাম এর মধ্যে বলিনি আমার ফুফু দেখতে খুব সুন্দর লম্বা চওড়া বিশাল দেহের অধিকারী কুপার বয়স প্রায় ৫০ থেকে ৫২ বছর হবে এইভাবে রাতটা কেটে গেল তারপরের দিন সকালে কোপা না আজকে জিজ্ঞেস করছিল যে উনাকে কোন ধরনের খাবার দেয়া হবে না তখন নাথ বলল সাথে উনার খাবার যাচ্ছে উনাকে আলাদা এখন কোন খাবার দেওয়ার দরকার নেই মা খুব দুর্বল হয়ে পড়েছিল চোখে মুখে বুঝা যাচ্ছিল ওনার ক্রান্তি এখন পোপা নার্সকে আবার জিজ্ঞেস করলে যদি ওনার বাথরুম চাপে তখন কি করব তখন নার্স দেখিয়ে দিল যদি আমি না থাকি তখন এই সালাইনের নলটা বন্ধ করে কেননা থেকে পাইপটা বের করবেন যাতে কোন ধরনের হাওয়া না ঢুকে এই বলে না চলে গেল আমাদেরও দিন যাচ্ছিল খুব আস্তে আস্তে দুপুরে খাওয়া-দাওয়ার পর আমরা শুয়ে ছিলাম তখন মা বলল যে মায়ের প্রসাব আসছে তখন আমি আর ফুফা গিয়ে স্যালাইন এর নলটা বন্ধ করে দিই মা বাথরুমে যায় এইখানে ঘটে বিপত্তি শরীর দুর্বল হওয়ার কারণে মা বাথরুমে বেহুঁশ হয়ে যায় আমি আর ফুফা দোরে গিয়ে মাকে কোন রকমে বিছানায় নিয়ে আসি তারপর নার্সকে ডেকে আমরা সব কথা খুলে বলি নার্স আমাদের উপর অত্যন্ত রেগে যায় এবং বলে যে উনি দুর্বল মানুষ ওনাকে একা একা বাথরুমে পাঠানো টা ঠিক হলো আপনারা কেউ যেতে পারেননি তারপর মাকে দেখাবের জন্য যে ডাক্তারটা আসে তিনিও আমাদেরকে উল্টো বকা দিয়ে চলে যায় তারপর মায়ের সেন্ট আসলে মায়ের হাতে নাকি খুব ব্যাথা লাগছে ডাক্তারকে বলি ডাক্তার বলে ওষুধ দেয়া আছে কোন সমস্যা হবে না কালকে সকাল থেকে আপনারা উনাকে একটু একটু খাবার দেওয়ার চেষ্টা করবেন আর বমি করলেও উনাকে খাবার খেতে হবে তারপর রাতেও আমরা খাবার খেয়ে শুয়ে পরি মায়ের স্যালাইন ঠিকমতো চলছিল আর শেষ হলে নার্সকে ডেকে এনে বা নিজেরা হলে পুশ করে দিচ্ছে এমন করতে করতে দুই দিন হয়ে গেল।
এরপর দিন সকালবেলা ফুফা আপেল আঙ্গুর কমলা মাকে খাওয়াতে লাগলো মা বলল ফুফাকে যে একটু চা খেতে ইচ্ছে করছে না হলে খুব আলসে আলসে লাগে শরীরে তাই আমার ফুফা গিয়ে মায়ের জন্য চা নিয়ে আসলো সঙ্গে আমাদের জন্য নিয়ে এসেছিল। চা টা খাওয়ার পর আমরা বসে সবাই গল্প করছিলাম মা কিন্তু তখনও দুর্বল ছিল এক পর্যায়ে মা বলে বসলো যে উনার বাথরুম পেয়েছে তখন আমি মোবাইলে পাবজি খেলছিলাম তখন আমি তোমাকে বললাম তুমি একটু মাকে নিয়ে যাও বা মাকে নিয়ে বাথরুমে যায় এবং বাথরুম থেকে কোপা বের হয়ে এসে বাইরে থেকে বলে আপনার হয়ে গেলে আমাদের ডাক দিবেন আমরা নিয়ে আসবো এরমধ্যে প্রায় ১০ মিনিট হয়ে গেল মা ডাক না দিলে ফুফা বলে উঠে ভাবি আপনার হয়নি তখন মা ফুপাকে ডাকে মায়ের মুখ দিয়ে বলতে শুনি যে মায়ের পায়খানা হয়ে গেছে কথাটা আমার কানে একটু করে বাজে তখন ফুপা বলে ওঠে যে তাহলে আমি পানি ঢেলে দিচ্ছি আপনি পরিষ্কার করে নিন এই বলে বাথরুমে ঢুকে ফুফা মগে করে জল নিয়ে মায়ের সামনে যায় আমার মনে কেমন যেন করে উঠলো আমি মোবাইলটা বিছানার উপর রেখে বাথরুমের ভিতরে কি হচ্ছে দেখতে গেলাম দেখলাম যে ফুফা মগে পানি নিয়ে মায়ের পেছনে দাঁড়িয়ে আছে মা শত চেষ্টা করেও নিজের হাতটা পিছনে নিয়ে যেতে পারছে না একেতো হাতের মধ্যে স্যালাইনের নল ফিট করা তার উপর উনি যে বেহুঁশ হয়ে গিয়েছিল তখন সাথে খুব ব্যথা পেয়েছিল এর মধ্যে কোন উপায় না পেয়ে শেষে ফুফা বলল যে কামরুলকে ডাকবো নাকি আমি পরিষ্কার করে দিব মা লজ্জা পেয়ে বলল ছেলেকে ডাকলে ছেলে আবার কি মনে করে ছোট বাচ্চাও কিছু বুঝবে আর আপনি আমার বড় বয়সে আপনি আমার গোপন জায়গায় হাত দিলে কেমন লাগবে না তখন ফুপা বলে ওঠে তাহলে আর কি করার আপনি বসে থাকুন এভাবে মাও আর কোন গতি না পেয়ে শেষে রাজি হল ওরা আস্তে করে মায়ের পাশে বসে মগে জল নিয়ে মায়ের পাছার মধ্যে হাত দেয় এইদিকে মা লজ্জায় পুরো লাল হয়ে গিয়েছিল বা একহাতে জল ঢাল ছিল আরেক হাতে মায়ের পাচা পরিষ্কার করতে লাগলো এর মধ্যে আমি খেয়াল করছিলাম পোকার বাড়াটা পুরো দাঁড়িয়ে গিয়েছিল লুঙ্গির মধ্যে বুঝা যাচ্ছিল যে বাড়াটা দাঁড়িয়ে আছে এর মধ্যে ফুফা মাকে বলে ভাবি কাপড়টা একটু উপরে তুলে না হলে ভিজে যাচ্ছে মা কাপড়টা উপরে তুলছে মায়ের ফর্সা পাছাটা ফুফার চোখের সামনে ভেসে উঠে এর মধ্যে মা তো পিছনে ফিরে তাকাচ্ছিল না লজ্জায় ফুফা খুব গরম হয়ে গিয়েছিল আর চোখে মুখে কামনার ছাপ এরমধ্যে মগের জল শেষ হয়ে গেলে ফুফা আবার জল নিয়ে মায়ের পেছনে বসার সময় দেখি নিজের বাড়াটা বের করে মায়ের পাছার মধ্যে ঘষতে লাগলো মা মনে হয় বুঝতে পেরেছিল তাই মা বলে উঠে যে গরম গরম কি লাগছিল তখন ফুপা বলে ওঠে না না কিছু নাই হাতের আঙ্গুল লাগছিল ওই জন্য গরম লাগছিল মনে হয় তখন মা বলে ওঠে আবার আমার হয়ে গেছে আপনি এখন সব বন্ধ করুন এদিকে আমি সঙ্গে সঙ্গে দৌড়ে বিছানায় এসে শুয়ে আবার মোবাইলে মনোযোগ দি।
পরবর্তী গল্পের আপডেট পেতে আমাদের গ্রুপে যুক্ত থাকুন।
গল্পটি কেমন লাগলো এবং পরবর্তীতে কোন ক্যাটাগরির গল্প চান? কমেন্ট করে জানান। ধন্যবাদ!

