গল্পের শুরুতে সালাম নিবেন আমার নাম রনি আহমেদ আমি বর্তমানে ক্লাস এইটে পড়ি।
আমি মা এবং বাবা আমরা পরিবারের তিনজন সদস্য। আমার বাবা বিদেশে থাকে দুবাই শহরে।
বেশ ভালোই টাকা পয়সা আছে আমাদের জন্য বাড়িঘরও আছে। আমাদের গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া থানার অন্তর্গত একটি গ্রাম।
গ্রামের নাম কি বললাম না। আমার মায়ের নাম জেসমিন।
দেখতে শুনতে ভালই সুন্দর এবং আকর্ষণীয় ফিগার। একটু মোটাসোটা দুধগুলো প্রায় ৩৬ সাইজের।
বিশাল একটি নাভি আছে এবং পাছাটা প্রায়ই ৩৮ এর মত হবে। আমি চট্টগ্রামের একটি স্বনামধন্য স্কুলের পড়ি। এইখানে আমরা বাসা ভাড়া করে থাকি।
গ্রামে প্রচুর জায়গা সম্পত্তি আছে কিন্তু আমরা কোন বন্ধ ছাড়া গ্রামে খুব একটা যায়না। বিশেষ করে দুই ঈদে আমরা বাড়িতে যাই।
ক্লাস সিক্সে যখন ভর্তি হয় তখন আমার ওই স্কুলে একটি ছেলের সাথে ভালো বন্ধুত্ব হয়। আমার ওর নাম ছিল আনোয়ার।
স্কুলে ও সবথেকে আমার কাছের বন্ধু ছিল। তাই ওর সাথে আমি বেশিরভাগ স্কুলের সময় কাটাতাম।
তাই সময় আমরা এটা ওইটা নিয়ে কথা বলতাম। তখন থেকে ভালো খারাপ বন্ধুদের সাথে হালকা পাতলা জিনিস চেয়ে মোটামুটি মেয়ে আর ছেলে সম্বন্ধে একটা ধারণা তৈরি হতে থাকে।
আমরা কেউ কিছু দেখলে একজন একজনকে এসে তাড়াতাড়ি বলতাম। বেশ কিছুদিন বন্ধুত্ব পাড়ি দেওয়ার পর হঠাৎ একদিন জানতে পারলাম যে আনোয়ারের মা নাকি নেই।
মানে ওর বাবার সাথে ওর মায়ের সম্পর্ক নেই। এদিকে নাকি ওর মা মাঝে মাঝে এসে ওর সাথে দেখা করে যায়। তবুও ওর মনে একটা চাপা কষ্ট আছে সেটা আমি বুঝতে পারছি।
কিন্তু ও একটু হাবাবো বা টাইপ। ওকে কিছু বললেও হ্যাঁ হুঁ করে। ওর বাবার নাম রুহুল আমিন।
আমি একবার দেখেছিলাম উনাকে স্কুলের গেটে আনোয়ারকে নিতে এসেছিল। বেশ লম্বা চওড়া সুদর্শন পুরুষ।
বলতে গেলে আমি এর মাঝে একদিন মাকে বলি যে জানো না আনোয়ারের নাকি মা নেই। ওদের বাবা মায়ের নাকি ডিভোর্স হয়নি কিন্তু ওর মা নাকি চলে গিয়েছে।
মা এই কথাটি শুনে ভীষণ কষ্ট পেয়েছে মনে হল আমার। এবং বলে উঠলো যে এই ছোট ছেলেটা এত তাড়াতাড়ি নিজের মায়ের আদরও পায় না।
তখন মা বলে যে ওকে একদিন ছুটির দিনে আমাদের বাড়িতে দাওয়াত দিস। ওকে আমি ভালো মন্দ রান্না করে খাওয়াবো শুক্রবারে।
তারপর একদিন আমি ওকে বলি যে তুই আর তোর বাবা আমাদের বাড়িতে এসে খেয়ে যা কালকে তোদের দাওয়াত। ও খুব খুশি হয়েছিল।
এরপরে শুক্রবার দিন ও আর ওর বাবা আমাদের বাসায় আসে। মায়ের সাথে সৌজন্য ও সাক্ষাৎ বা কথাবার্তা বলে। ওদেরকে আমরা খাবার টেবিলে নিয়ে আসি।
মা ঐদিন মাছ মুরগির মাংস গরুর মাংস রান্না করেছিল।
তারপর ওইখানে কথার ফাঁকে জানা যায় যে আনোয়ারের বাবা একটু প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করে। মোটামুটি ভালোই স্যালারি হয়।
খাওয়া-দাওয়া শেষে মা খুব বা যত্ন করে আনোয়ার খাইয়ে দিয়েছিল। আনোয়ারও খুব খুশি হয়েছিল।
খাওয়া দাওয়ার পরে ওরা চলে যায়। এরপরে মাঝে মাঝে এই আনোয়ার আমাদের বাড়িতে এসে খেয়ে যেত। বা আমি ওর জন্য টিফিন নিয়ে যেতাম।
এভাবে আমাদের বন্ধুত্ব আরো গভীর হয়ে যায়। এভাবে চলতে চলতে রোজা চলে আসে।
প্রথম দিন ইফতারের সময় আনোয়ারের বাবাকে আমরা বলে এসে ইফতার করার জন্য আমাদের সাথে। যেহেতু তাদের বাড়িতে কেউ মানুষ অনেক কষ্ট হবে সেই জন্য ওরাও ইফতারের আগে চলে আসে।
আর আমরা ইফতার করে দুই বন্ধু মিলে একটু ভিডিও গেমস খেলছিলাম। ফাতেমা আমাদের জন্য তা করে নিয়ে আসে।
এবং আনোয়ারের বাবার সাথে বসে বসে কথা বলছি। বাবাকে বলে বসে যে আপনাদের তো এখন ঘরে কোন মহিলা নেই। তাহলে আপনারা ইফতার এইখানে করবেন প্রতিদিন।
আমি দরকার হলে ইফতার না হয় আপনার বাড়িতে পাঠিয়ে দিব। স্কুল তো বন্ধ দিয়ে দিয়েছে তাই আমাদের আর তেমন দেখা-সাক্ষাৎ হয় না।
ওদের বাড়িতে একটা নিয়ে গেলে তখন দেখা হয়। বা ও আমাদের বাড়িতে ইফতার নিতে আসলে তখন দেখা হয়।
এভাবে চলতে চলতে প্রায় ২৫ টা রোজার কাছাকাছি চলে গিয়েছিলাম। তখন একদিন আনোয়ার আর আনোয়ারের বাবাকে ডেকে আমরা বলি যে আমরা তো ২৬ রোজার দিন চলে যাব আমাদের গ্রামের বাড়ি সাতকানিয়াতে। আপনারাও আমাদের সাথে চলুন।
আনোয়ারের বাবা বলল যে না আসলে আমার অফিস তো বন্ধ হয়নি। আমার পক্ষে যাওয়া সম্ভব নয়। তবে আপনারা যখন এতই করে বলছেন তখন যাব ঈদের দিন বিকেল বেলা।
এটা বলার পর তখন আমরা বললাম যে আচ্ছা ঠিক আছে তাহলে ওই দিনে আসবেন। আমরা কালকে চলে যাব। আর আপনারা এই কদিন একটু কষ্ট করে ইফতার গুলো বানিয়ে নিজেরা খাবেন।
এরপরের দিন আমরা সকালবেলা এই বাড়িতে চলে যাই। বাড়িতে গিয়ে সব পরিষ্কার করতে হবে। আমি আর আমার মা ছাড়া তেমন তো আর বাড়িতে কেউ নেই।
বাড়িতে একটা বিশাল বড় পুকুর আছে। পুকুরে স্নান করবো এই খুশিতে আছি। এইভাবে দেখতে দেখতে ঈদের দিন চলে আসলো।
ঈদের দিন সকাল বেলা পাড়ার বেশ কিছু বন্ধু-বান্ধব আছে। ওদের সাথে নামাজ পড়ে এসে মাকে সালাম করলাম। তারপর মা আছে মায়ের রান্না করেছিল। ওই গুলা খেয়েদেয়ে আমি আনোয়ার কে ফোন দেই।
যেহেতু ওরা আসবে বলেছিল। ফোনটা হাতে নিতে দেখিনি। বাবার ফোন আসে। বাবাকে একটা সালাম দিয়ে বলে আমার বন্ধুরা আর বন্ধুর বাবা আসবে আজকে আমাদের বাড়িতে।
বাবা বলল ঠিক আছে তোমার মাকে দাও। মায়ের সাথে কথাবার্তা বলে এবং মাকে বলে যে ভালো-মন্দ রান্না করে রাখার জন্য। কারণ ওরা আসবে এজন্য।
এরপর আনোয়ার কে আমি ফোন করি এবং জিজ্ঞাসা করি যে তোরা কখন আসবি। আনোয়ার উত্তর দেয় যে আমি তো আমার মায়ের বাড়িতে এসছি। আজকে মনে হয় আসা হবে না। কালকে আসবো আমি আর আমার বাবা।
হয় সঙ্গে সঙ্গে আমি মাকে খবরটা দিয়ে আমি খেলতে বের হয়ে যায়। ঈদের দিন খুব ভালোভাবেই কাটে। ভালো-মন্দ খাওয়া দাওয়ার মাধ্যমে ঈদের দিন শেষ হয়।
এর পরের দিন সকালবেলা উঠে নাস্তা করতে বসি। ঘড়ির কাঁটা তখন প্রায় দশটা বাজে। এমন সময় দেখে আনোয়ার এর মোবাইল থেকে ফোন আসে।
ফোন রিসিভ করলে ওদিকে আনোয়ারের বাবা জিজ্ঞেস করে তোমাদের বাড়িতে এখান থেকে কিভাবে যাওয়া যায়। আমরা সাতকানিয়া রাস্তার মাতা নেমেছে।
তারপর মা বলে উঠে যে একটা রিক্সা নিয়ে জায়গায় চলে আসুন। ১০ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে আনোয়ারের বাবা আর আনোয়ার আমাদের বাড়ির ওখানে রিক্সা নিয়ে চলে আসো।
আমি সঙ্গে সঙ্গে বন্ধুকে জড়িয়ে ধরে ঈদ মোবারক জানাই। এরমধ্যে আংকেলও মাকে ঈদ মোবারক বলে। তারপর তাদেরকে ঘরে রেখে ফ্রেশ হতে বলি।
ফ্রেশ হয়ে আসলে ওদেরকে মার খাওয়ার জন্য ব্যবস্থা করে দেন। আনোয়ারকে খাইয়ে দেয় মা। মাকে পোলাও মাংস রান্না করছিল।
রান্নাবান্না শেষে মা বলে সবাই স্নান করে নাও। যে যেখানে খুশি সেখানে কুকুরের না হয় ঘরের বাথরুমে চান করে নিতে পারবে।
তখন আমরা সবাই পুকুরে স্নান করবো সিদ্ধান্ত নিন। আমাদের বাড়িতে একটা গাড়ির চাকার টিউব আছে। ওইটা নিয়েই আমরা স্নান করতে যাই।
আনোয়ারের বাবা সাঁতার জানি তো অনেকদিন পরে পুকুর দেখাতে তিনি সাঁতার কেটে পুকুরের এপার থেকে ওপার চলে যাচ্ছিল।
আমরা আজকেও সাঁতার জানতাম না তাই একজন একজন করে টিউবে করে আমরা এখান থেকে এখানে যাচ্ছিলাম। মা ও নেমেছিল আমাদের সাথে গোসল করার জন্য।
মা ও টিউবে করে পুকুরের পুরো অংশ ঘুরতে থাকে। বেশ কিছুদূর যাওয়ার পরে মায়ের হাত থেকে টিউব ছুটে যায়। মা জলের মধ্যে পড়ে যায়।
এরমধ্যে আনোয়ারের বাবা চুপ করে সাতার কেটে গিয়ে মাকে ধরে নিয়ে আসে। মা বেশ কিছু জল খেয়ে ফেলেছিল।
একে বুঝা যাচ্ছে পুরো ভিজে যাওয়ার ফলে মায়ের গায়ে জামাটা একেবারে আস্তে-পিতে লেগেছিল। যার কারণে মায়ের দুধগুলো ভেসে উঠেছিল একেবারে আর পাছাটাও।
তখনো আনোয়ারের বাবা মাকে জড়িয়ে ধরে রেখেছিল। এর বেশ কিছুক্ষণ পর মা নিজেকে ছাড়িয়ে নেয়। মায়ের মুখটা কেমন জানি খুব লাল হয়ে গিয়েছে।
ওই দিনের মতো স্নান সমাপ্ত করে আমরা সবাই বাড়িতে চলে আসি। দুপুরে খাওয়া দাওয়ার পর আমরা এখানে শুয়ে রেস্ট নিই।
বিকেলে আমাদের গ্রামের দুটো অংশ আনোয়ার আনোয়ারের বাবাকে নিয়ে ঘুরে দেখায়। আমরা রাতে আমরা দুই বন্ধু মিলে সিনেমা দেখছিলাম একটা ইংলিশ সিনেমা।
তখন মা রান্না ঘরে আর আনোয়ারের বাবা রুমে শুয়েছিল। এখন সিনেমাতে দেখতে পাই যে একটা মেয়ে একটা ছেলেকে ঠোঁটে ঠোঁট লাগিয়ে চুমু খাচ্ছে।
এই সিমটা দেখার পরে আমাদের করলে একটু শিহরণ জাগে। তবে আনোয়ার সিনেমার দিকে ধ্যান না দিয়ে ভিডিও গেম খেলছিলাম।
এরপর রাতে খেতে বসলাম। আমরা তখন মা পুকুরে পড়ে যাওয়ার ঘটনাটি আমরা বলতে থাকি এবং হাসাহাসি কোরছিলাম আমরা।
এর মধ্যে মা আনোয়ারের বাবাকে জিজ্ঞেস করে যে আনোয়ারের মায়ের সাথে আপনার সম্পর্ক নেই কেন। তখন ওর বাবা প্রথমে বলতে চাইনি আমাদের সামনে।
পরে বলে উঠে যে ওর মা অন্য সম্পর্ক আছে ওই জন্য। তখন মা আর কিছু না বললে।
তখন আঙ্কেল জিজ্ঞেস করে ভাইয়া কত বছর পর পর বাড়িতে আসে। এখন আমার মা বললো ও এসেছে এখন পাঁচ বছর হয়ে গেছে। সামনে আসবে বলল দেখি কি করে।
এর মধ্যে আবার মা বলে উঠল যে তাহলে আপনি এর মধ্যে আর বিয়ে করেননি কেন। কখন আংকেল বলল যে আর বিয়ে করে কি হবে। ছেলের বড় হয়ে গেছে এজন্য।
তখন মা আবার বলে উঠল যে আপনি যখন আমাকে আনতে গেলেন তখন তো আপনার অবস্থা খারাপ ছিল। এইজন্যই বলছি আপনি আরেকটা বিয়ে করে ফেলেন।
কথাটি কেমন জানি আমরা বুঝতে পারি কিন্তু ওরা হাসাহাসি করছিলো।
।।।।।।।।।।।।। পরবর্তী গল্পের আপডেট পেতে আমাদের টেলিগ্রাম গ্রুপে যুক্ত থাকুন।।।।।।

মন্তব্য করুন