মহুয়ার রোজ ভোরবেলা উঠে পড়া অভ্যেস। সকালে উঠে সারাদিনের রান্না ঘরের কাজ সব করে তারপর ছেলেকে ডাকে, তারপর চান করে ছেলেকে খাইয়ে নিজে খেয়ে অফিস যায়, ছেলেকে স্কুল পাঠায়। আবার বিকেলে বাড়ি ফিরে টুকটাক কাজ, ছেলেকে পড়ানো।
আজ সকালে উঠে ছেলের দিকে তাকাতেই মহুয়ার ঘুমের আমেজ কেটে গেলো। কাল রাতের সব কথা মনে পড়ে গেল। সোহম তখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন, নগ্ন, সম্পূর্ণ নগ্ন। পাশ ফিরে শুয়ে আছে তাই লিঙ্গটা দেখা যাচ্ছে না। বাকি শরীর সম্পূর্ণ উম্মুক্ত। মহুয়া ছেলের গায়ে হাত বুলিয়ে দিলো। দেখার চেষ্টা করলো পুরুষাঙ্গটা কিন্তু পায়ের ফাঁক দিয়ে দেখতে পেলো না। ছেলের কপালে চুমু খেয়ে আদর করে বিছানা ছাড়ল মহুয়া। বহুদিন পর শারীরিক আদর পেয়ে তার খুব মনটা ফুরফুরে হয়ে আছে আজ।
বাথরুমে বাসি নাইটি আর প্যান্টি ছেড়ে রাখার সময় মহুয়া মনে মনে ভাবলো এগুলো সোহম একটু পরেই হাত দিয়ে দেখবে নিশ্চই। তাও সে ওগুলো ওখানেই রাখলো। ছেলে তার অন্তর্বাসে হাত দেবে এটা ভেবে কোথাও একটা ভালো লাগলো মহুয়ার। তার ছেলে তাকে কামনা করে এটা মহুয়াকে শিহরিত করলো। ছেলেকে কাল সে প্রাণ ভরে আদর করেছে, ছেলের কামরস পান করেছে, অর্গাজম না করেও তার খুব তৃপ্ত লাগছে সকাল থেকে। সকালে উঠে নগ্ন একটা সুঠাম পুরুষকে নিজের বিছানায় দেখে তার বিয়ের প্রথম দিকের রাতগুলো মনে পড়ে যাচ্ছিল। যদিও তখন সে নিজেও নগ্ন থাকতো সারারাত।
তাড়াতাড়ি চান করে ব্রেকফাস্ট বানিয়ে ছেলেকে ডাকতে গেল মহুয়া। এতক্ষণ ইচ্ছে করেই বেডরুমে যায়নি সে, গেলে সে তাড়াতাড়ি বেরোতে পারতো না, কাজে দেরি হয়ে যেতো। এখন কাজ মিটিয়ে নিয়ে মহুয়ার একটা বুদ্ধি এসেছে মাথায়, একটা ইচ্ছে জেগেছে মনে, অনেকদিন পর।
বেডরুমে ঢুকে মহুয়া দেখলো ছেলে পাশ ফিরেই ঘুমাচ্ছে তখনও। ছেলেকে ডাকার সময় হয়েছে। মহুয়া ছেলেকে না ডেকে আলতো করে ঠেলে চিৎ করে দিলো। চমকে উঠল মহুয়া, ছেলের পুরুষাঙ্গটা টানটান হয়ে আছে পুরো। রাতে অতটা বীর্য বেরোনোর পরেও সকালে লিঙ্গ একদম টানটান। দিনের আলোয় লিঙ্গের ওপর ফুলে ওঠা শিরা উপশিরা গুলো দেখা যাচ্ছে। মুন্ডিটা চকচক করছে। কাল রাতে মহুয়া বাথরুমে নিয়ে গিয়ে নিজে হাতে সোহম কে পরিষ্কার করে দিয়েছিল। লিঙ্গটা চামড়া সরিয়ে ভালো করে জল দিয়ে ধুয়ে দিয়েছিল সে। যাতে বীর্য বা লালা কিছু লেগে না থাকে। নোংরা মহুয়া একদম সহ্য করতে পারে না।
সোহম ঘুমে অচেতন তখনও। মহুয়া লিঙ্গটা হাতে নিয়ে ভালো করে দেখলো। অশোকের মতোই সাইজ এটার এখনই। আরও বড় হবে বয়সের সঙ্গে। সোহম কাল মহুয়ার রেজার দিয়ে নিজের যৌনকেশ পরিষ্কার করেছে, কি সুন্দর লাগছে লিঙ্গটা আজ। পরশুদিন অনেক চুল ছিল বলে অতটা ভালো লাগছিল না।
লিঙ্গটা হাতে নিয়ে একটু নাড়াচাড়া করতেই লোহার মত শক্ত হয়ে গেলো ওটা। মহুয়া আলতো করে জিভ দিয়ে মুন্ডিটা চেটে দিলো। সোহম ঘুমের মধ্যেই একবার “মমম” করে আওয়াজ করে উঠলো। মহুয়া জিভ দিয়ে গোল গোল করে ঘোরাতে লাগলো মুন্ডির চারপাশে। সোহম ঘুমের মধ্যেই উশখুশ করছে। বেশ কিছু বছর আগে অশোক কেও এই ভাবেই ঘুম থেকে ওঠাতো মহুয়া। অশোক ও এরকম করেই রেসপন্স করতো ঘুমের মধ্যে
কিছুক্ষণ মুন্ডিটা চেটে তারপর লিঙ্গটা গোড়া থেকে আগা অবধি একবার লম্বা করে চেটে দিলো মহুয়া। বিচি গুলো একটা একটা করে মুখে নিয়ে চুষে দিলো। তারপর চামড়াটা পুরোটা খুলে দিয়ে লিঙ্গটা মুখে পুরে নিলো পুরোটা। গলায় ধাক্কা মারলো লিঙ্গের মাথাটা। “ওঁক” করে আওয়াজ বেরোলো মহুয়ার মুখ থেকে। নিজেকে সামলে নিয়েই আইসক্রিমের মত করে লিঙ্গটা চুষে চুষে খেতে লাগলো মহুয়া। সোহম এর ঘুম ভেঙে গেলো। সে একবার অবাক হয়ে “মা কি করছো” বলে উঠেই “আহহ মা” বলে মায়ের মাথাটা ধরে ফেললো দুহাত দিয়ে। মহুয়া তখন পুরো লিঙ্গটা মুখে পুরে রেখেছে। সোহম ঘুম ভেঙেই কিছু বুঝতে না পেরে অবাক হয়ে গেছিল। তারপরই তার আগের রাতের কথা মনে পড়ে গেলো। মায়ের মুখের ভেতর তখন তার শরীর কেঁপে কেঁপে উঠছে। উত্তেজনায় মায়ের চুলের মুঠি ধরে ফেললো সোহম। আর মুখে “উফফ আহহ মা মাগো” বলে চিৎকার করতে লাগলো। সোহমের একটা পায়ের ওপর শুয়ে আছে মহুয়া, সোহমের হাঁটু মহুয়ার তলপেটে ঠেকে আছে। কোমর নাড়িয়ে নাড়িয়ে যোনির ওপরে হাঁটুর ঘষা খাচ্ছে মহুয়া। সোহমের পক্ষে এটা অনুভব করা অসম্ভব এখন। সে তার নিজের লিঙ্গের ওপর বয়ে যাওয়া ঝড় সামলাতে ব্যস্ত।
মহুয়ার খুব সেলফ সেটিসফেকশন হলো একটা ১৮ বছর ছোট তরতাজা যুবককে এইভাবে ছটফট করাতে পেরে। তার কনফিডেন্স ফিরে এলো নিজের ওপর। আর তার ছেলের প্রতি ভালবাসা প্রচণ্ড বেড়ে গেলো। মনে হলো সে ছেলের কাছে কৃতজ্ঞ তার জীবনে এই সুখ, এই লিঙ্গের স্বাদ, বীর্যের স্বাদ ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য। প্রতিদানে সে ছেলেকে সুখের চরম সীমায় পৌঁছে দিতে চাইলো। পরম মমতায় সে ছেলের লিঙ্গটা চুষে চেটে চুমু খেয়ে ছেলেকে যতটা সম্ভব সুখ দিতে লাগলো।
প্রায় ১৫ মিনিট চলল এরকম। আগের রাতে অতটা বীর্য না বেরিয়ে থাকলে সোহম এতক্ষণ থাকতে পারতো না। তাও উত্তেজনায় সোহম মায়ের চুলের মুঠি টেনে, পা দিয়ে মায়ের মাথা শরীর জড়িয়ে ধরে মাকে একদম এলোমেলো করে দিলো। যখন মহুয়া বুঝল ছেলের শেষ মুহূর্ত এসে গেছে সে ছেলের হাতদুটো চেপে ধরলো বিছানার সঙ্গে। তারপর জিভের ডগা দিয়ে ছেলের ছিদ্রের ঠিক নিচে অল্প সুড়সুড়ি দিতেই গলগল করে সাদা রস বেরিয়ে ভরিয়ে দিলো মহুয়ার মুখ। একফোঁটাও বীর্য নষ্ট হতে দিলো না মহুয়াও, এই সবটুকু বীর্য তার, এই লিঙ্গটা তার, এই শরীরটা তার, এই সুখ তার, এই সবকিছু তার, শুধু তার। এর ভাগ আর কাউকে দেবে না সে। প্রবল অধিকারবোধে ছেলের লিঙ্গ চেটে চুষে পরিস্কার করে দিলো মহুয়া। সোহম তখন শুয়ে শুয়ে হাঁফাচ্ছে।
লিঙ্গ পরিষ্কার হয়ে গেলে ছেলের বুকের ওপর উঠে এসে ঠোঁটে একটা চুমু খেয়ে মহুয়া বলল “Good morning handsome”
সোহম ও চুমু খেলো মা কে। গুড মর্নিং বলল। মহুয়া বলল “ভালো লেগেছে?” সোহম নিজের বুকে মায়ের নরম স্তন অনুভব করতে করতে বলল “খুব খুব ভালো লেগেছে মা”
–“তাই? Is my boyfriend happy?”
–“boyfriend?”
–“yes, you are my handsome boyfriend. কেন? পছন্দ নয় আমাকে? বয়ফ্রেন্ড হবি না আমার?”
–“তোমাকে তো আমার সবচেয়ে বেশি পছন্দ। তুমি সবচেয়ে সুন্দর”
–“তাহলে? গার্লফ্রেন্ড বানাবি আমাকে?”
–“yes. Be my girlfriend mom”
–“এইভাবে? প্রপোজ করবি না ঠিক করে?”
সোহম উঠে ল্যাংটো অবস্থাতেই মাটিতে হাঁটু গেড়ে বসে মাকে বলল “i love you মা। Will you be my girlfriend please?”
মহুয়া হেসে ফেলল। বলল গোলাপফুল কই? গোলাপ ছাড়া প্রপোজ হয় নাকি? সোহম খুব বিপদে পড়ল। গোলাপ কোথায় পাবে সে এখন? বলল “ঠিক আছে, বিকেলে নিয়ে আসবো গোলাপ ফুল”
–“উহু, তার আগে যদি অন্য কেউ প্রপোজ করে নেয়? তাহলে তো আর আমি ফ্রি থাকবো না। এখনই করতে হবে প্রপোজ”
সোহম আমতা আমতা করতে লাগলো। মহুয়া হেসে “গোলাপ নেই তো এইটা দিয়ে প্রপোজ কর” বলে সোহমের ঐটা ধরলো আবার। সোহম খিলখিল করে হেসে উঠলো। নরম হয়ে যাওয়া লিঙ্গে হাত দিলে তার এখন সুড়সুড়ি লাগছে। মহুয়া বলল “কি? করবি প্রপোজ? নাকি অন্য কেউ করে নেবে?”
–“না, তুমি শুধু আমার গার্লফ্রেন্ড হবে। অন্য কেউ না”
–“তাহলে দে আমার গোলাপ আমাকে”
বলে মাটিতে বসে সোহমের লিঙ্গটা হাতে ধরলো মহুয়া। সোহম এর লজ্জা করছিল। কিন্তু মা অন্য কারো হয়ে যাবে এটা সে মানতে পারবে না। সে বলল “এটা তোমার। শুধু তোমার”
মহুয়া খুশি হয়ে বলল “সত্যি?”
–“সত্যি সত্যি সত্যি”
–“আর কাউকে দিবি না তো? প্রমিজ?”
–“প্রমিজ মা। তুমি আমার গার্লফ্রেন্ড এর এটা শুধু তোমার”
মহুয়া ছেলের লিঙ্গের মাথায় বড় করে একটা চুমু খেলো। সোহমের লিঙ্গ আবার অল্প অল্প শক্ত হচ্ছে। মহুয়া ওটা হাতে ধরা অবস্থাতেই ছেলে চোখে চোখ রেখে বলল “I love you”
সোহম ও বলল “I love you mom”
উঠে দাঁড়িয়ে ছেলেকে জড়িয়ে ধরে মহুয়া বলল “তুই শুধু আমার। তোর সবকিছু শুধু আমার। আর কারো নয়। বুঝেছিস?”
–“আর তুমি?”
–“আমিও শুধু তোর। শুধুমাত্র তোর। আর কারো নই ”
দুজন দুজনকে জড়িয়ে ধরে ঠোঁটে লম্বা চুমু খেলো অনেকক্ষণ ধরে। জিভ দিয়ে সোহমের মুখের ভেতরটা পুরোটা চেটে দিলো মহুয়া। সোহম ও শিখে নিলো জিভের ব্যবহার। সেও মায়ের মুখে জিভ ঢুকিয়ে দিল। মহুয়া ছেলের জিভ চুষে চুষে খেলো। সোহম বুকে অনুভব করলো মায়ের নরম স্তন।
প্রায় ১০ মিনিট চুমু খাওয়ার পর মহুয়া বলল “স্কুল যেতে হবে না? আর আমার অফিস নেই আজ? যা তাড়াতাড়ি চান করে আয়”
সোহম বলতে যাচ্ছিল আজ ইচ্ছে করছে না, কিন্তু মহুয়া তার আগেই ছেলেকে ঠেলে বাথরুমে ঢুকিয়ে দিলো। তারপর ঘরের আয়নায় নিজের মুখ দেখতে লাগলো। লজ্জায় লাল হয়ে যাওয়া একটা কিশোরী যে তার বয়ফ্রেন্ডকে প্রথমবার সুখ দিয়েছে। নিজের সঙ্গেই নিজে বেশিক্ষণ চোখ মেলানো যাচ্ছে না, লজ্জা করছে। তাড়াতাড়ি কাজে ব্যস্ত হয়ে গেলো। অফিসের দেরি হয়ে যাচ্ছে। কাজ করতে করতে আপন মনেই অনেকদিন পর গুণগুণ করলো সে।
স্কুল যাওয়ার আগে মহুয়া বারবার করে বলে দিলো যেন এইসব কথা কাউকে না বলে সোহম। এগুলো তাদের সিক্রেট, বয়ফ্রেন্ড গার্লফ্রেন্ডের সিক্রেট কাউকে বলতে হয়না। সোহম কথা দিলো কাউকে বলবে না ভুল করেও।
অফিসে গিয়েও মহুয়া সারাদিন গুণগুণ করে গান করছে, খুশি খুশি মুখচোখ। সবাই খেয়াল করছে কয়েকদিন ধরে তার এই পরিবর্তন। এমনিতে সংসারের চাপ, দায়িত্ব আর একাকিত্বে ভোগে মহুয়া একটু সিরিয়াস ধরনের হয়ে গেছিল। গত দুদিন ধরে তার জীবনে যেন নতুন প্রেম এসেছে। ফুরফুরে হাওয়া দিচ্ছে সারাদিন।
সোহমেরও স্কুলে গিয়ে সারাদিন মায়ের কথা মনে পড়ছে, পড়াশুনায় মন বসছে না। কাল রাতের ঘটনা, আজ সকালের ঘটনা তার যেন বিশ্বাসই হচ্ছে না। যেন স্বপ্ন দেখেছে সে, বাস্তবে ঘটেনি এমন। তার মা তার কাছে যেন স্বপ্ন সুন্দরী, এত সুন্দরী এত আকর্ষনীয়া কাউকে সে দেখেনি কোনোদিন। মাকে স্পর্শ করলে তার ঐটা শক্ত হয়ে যেতো, আর সেই মা তার নিজের মুখে করে তার ঐটা নিয়ে…… ভাবতেই পারছে না সোহম। মনে হচ্ছে কখন বাড়ি যাবে আর মায়ের সঙ্গে দেখা হবে। মা কি আজকেও তাকে ঐভাবে আদর করবে?
অফিস থেকে ফেরার পথে মহুয়া ছেলের জন্য একটা সেফটি রেজার কিনে আনল। ছেলে তার রেজার দিয়ে শেভ করেছে আগেরদিন, হয়তো আগেও করেছে। ছেলেকে শেখাতে হবে সব কিছু। মা হয়ে ছেলেকে গাইড করা তার কর্তব্য, নাহলে ছেলে বন্ধুদের থেকে উল্টো পাল্টা শিখবে। মহুয়া সব শেখাবে তার ছেলেকে। হাতে ধরে শেখাবে, বড় করবে, একজন যথার্থ পুরুষ মানুষ তৈরি করবে। যাতে যে মেয়ের সঙ্গেই থাকবে সোহম সে যেন খুব সুখী হয়। সোহম অন্য কোনো মেয়ের সঙ্গে থাকবে ভেবে একটু মন খারাপ হলো মহুয়ার। কিন্তু সে এখন কোনো মন খারাপ কে পাত্তা দিতে রাজি নয়। তার মনটা দুদিন ধরে খুব ফুরফুরে হয়ে আছে। সবাই টোন কাটছে আর মহুয়া লজ্জায় লাল হয়ে যাচ্ছে। এখনও রাস্তায় চলতে চলতে এক একাই হেসে ফেলল সে। তারপর হাসি লুকোতে মোবাইল দেখার ভান করে বাড়ীর পথে এগোলো।
সন্ধ্যে বেলা সোহম টিউশনি থেকে ফিরে মায়ের সঙ্গে গল্প করতে লাগলো। মা রান্না করছে আর সোহম রান্নাঘরেই বসে গল্প করছে। মহুয়া একবার দুবার বললো “তোর আর পড়াশুনা নেই?” কিন্তু সোহম বসেই থাকলো। মহুয়ার ও ভালই লাগছিল ছেলের সঙ্গ। তাই সেও জোর করো পড়তে পাঠালো না।
সোহম বসে বসে দেখছিল মা রান্না করতে করতে ঘেমে গেছে। সোহম উঠে গিয়ে টেবিল ফ্যানটা চালিয়ে দিল। মহুয়ার খুব ভালো লাগলো ছেলের এই কেয়ারিং নেচার। দুটো হাত আটা মাখতে গিয়ে নোংরা হয়ে গেছিল, একটা চুলের গোছা বারবার মুখে এসে পড়ছিল, কব্জি দিয়ে ঠিক ম্যানেজ করা যাচ্ছিল না। সোহম খেয়াল করে উঠে এসে চুলটা কানের পেছনে গুঁজে দিলো। কি যে ভালো লাগলো মহুয়ার সেটা সে বলে বোঝাতে পারবে না।
রাতে খেতে বসেও তারা টিভি চালালো না। দুজনেরই নিজেদের মধ্যে সময় কাটাতে ভালো লাগছিল। মহুয়া একটা মাংসের নল চুষে ভেতরের শাঁসটা বের করার চেষ্টা করছিল। সেটা দেখে সোহম চোখ ফেরাতে পারছিল না। সকালে তার ঐটা চুষে দেওয়ার সময় গাল গুলো ভেতরে ঢুকে গিয়ে মায়ের মুখটা ঠিক এরকমই হয়ে ছিল। সোহম কে একভাবে তাকিয়ে থাকতে দেখে মহুয়া জিজ্ঞেস করলো “কি দেখছিস রে?” সোহম লজ্জা পেয়ে চোখ সরিয়ে নিলো। মহুয়া ততক্ষণে শাঁসটা বের করে ফেলেছিল। নিজের মুখ থেকে সেটা একটুখানি নিয়ে সে ছেলের মুখে দিয়ে দিলো। সোহমের ঘেন্না করা তো দূরের কথা মায়ের মুখের খাবারের স্বাদ যেন এমনি খাবারের চেয়ে বেশি ভালো লাগলো।
গরমকালে সোহম এর মহুয়া দুজনেই ঘুমাতে যাওয়ার আগে চান করে। আজ মহুয়া ছেলেকে বলল “চল তোকে একটা জিনিস শিখিয়ে দেবো আজ। সোহম অবাক হয়ে ভাবছে “কি শেখাবে মা?” মহুয়া ছেলেকে নিয়ে বাথরুমে গিয়ে বলল “প্যান্ট খোল “। সোহম ইতস্ততঃ করছিল। মহুয়া খুব মজা পেলো এটা দেখে। সে হঠাৎ করে টান মেরে ছেলের প্যান্টটা খুলে দিলো। সোহম লজ্জায় পা দিয়ে লিঙ্গটা আড়াল করার চেষ্টা করতে লাগলো। মহুয়া বলল “উহঃ কি লজ্জা। আর মা যখন ওখানে আদর করে দেয় তখন তো খুব ভালো লাগে, না?” সোহম আরো লজ্জা পেয়ে গেলো এটা শুনে। মহুয়া জোর দিয়ে বলল “হাত সরা”। সোহম একটু ইতস্তত করে হাত সরালো। মহুয়া প্যাকেট থেকে বের করে আনল একটা নতুন সেফটি রেজার। তারপর সোহমের সামনে হাঁটু গেড়ে বসে পড়ল মাটিতে। সোহমের লিঙ্গটা মহুয়ার ঠিক মুখের সামনে।
একদিনেই সোহমের ওখানে অল্প চুল গজিয়ে গেছে। মহুয়া বলল “এটা তোর রেজার। এবার থেকে আমারটা ধরবি না, নিজের টা দিয়ে নিজে পরিস্কার করবি, বুঝেছিস?” সোহম মাথা নাড়ল। মহুয়া আবার বলল “পারবি একা একা?” সোহম কিছু বলছে না দেখে সে বললো “আয় আমি শিখিয়ে দি”। বলে ছেলের লিঙ্গটা হাতে মুঠো করে ধরলো। তারপর অল্প জল দিয়ে আর সাবান দিয়ে চারপাশের চুলগুলোতে ফেনা করে দিলো অল্প। সোহমের খুব অস্বস্তি হচ্ছে ওখানে। ওটা যেন শক্ত হয়ে যেতে চাইছে। সে প্রাণপণে চেষ্টা করতে থাকলো ওটা স্বাভাবিক রাখার।
মহুয়া ছেলের লিঙ্গটা ধরে চারপাশের চুলগুলো রেজার দিয়ে আস্তে আস্তে কেটে পরিষ্কার করে দিলো। তারপর জল দিয়ে ফেনা ধুয়ে দিয়ে ভালো করে পরীক্ষা করতে লাগলো কোথাও চুল থেকে গেছে কিনা। মহুয়া লিঙ্গটা নিজের এত কাছে নিয়ে এসেছে যে তার গরম নিশ্বাস পড়ছে সোহমের লিঙ্গর ওপর। এদিকে মায়ের মুখ লিঙ্গের এত কাছে এসে যেতে সোহম আর নিজেকে আটকে রাখতে পারল না। তার লিঙ্গটা শক্ত টানটান হয়ে গেলো একদম। মহুয়া ছেলের অবস্থা দেখে ছেলের দিকে তাকিয়ে হাসলো। লিঙ্গ থেকে বেরোনো একটা মাদকীয় গন্ধ তাকে আকর্ষণ করছিল। কিন্তু তাতে মন না দিয়ে সে ছেলের যৌন কেশ পরিষ্কার করায় মন দিলো।
রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে মহুয়া রোজকার মত চান করে এসে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে চুল আঁচড়াচ্ছিল। সোহম বিছানায় বসে আড়চোখে তাকিয়ে দেখছিল। মায়ের পুরো শরীরটা পাতলা নাইটির ভেতরে বোঝা যাচ্ছিল। উল্টো দিকে লাইট থাকায় নাইটিটা যেন স্বচ্ছ হয়ে গেছে, পুরো শরীরের সিলুয়েট বোঝা যাচ্ছে। মুগ্ধ চোখে তাকিয়ে ছিল সোহম। মায়ের বুকগুলো কি সুন্দর, কোমরটা…. পেছনটা…. কি সুন্দর তার মা। অবাক হয়ে দেখছিল সোহম। ছেলের চোখের মুগ্ধতা খুশি করলো মহুয়াকে। সে ইচ্ছে করেই কিছু বলল না। বললে সোহম লজ্জা পাবে, চোখ সরিয়ে নেবে। সোহম তখনও উলঙ্গ। মহুয়ার নির্দেশেই সে লিঙ্গ পরিষ্কার করার পর ওখানে পাউডার লাগিয়ে বসে আছে উলঙ্গ হয়ে। প্যান্ট পরার অনুমতি পায়নি সে। তার লিঙ্গটা এখনো শক্ত হয়েই আছে। মা হাত দিয়ে ওটাকে এরকম করে দিয়ে আর কিছু করলো না, তাকে তাড়াতাড়ি চান করিয়ে বাথরুম থেকে বাইরে বের করে দিলো। আর বারবার বারণ করে দিলো যেন সে প্যান্ট না পরে।
ছেলেকে এইভাবে উত্তেজিত করে দিয়ে অপেক্ষা করাতে মহুয়ার ভালো লাগছিল। সে চাইলেই বাথরুমের মধ্যেই ছেলেকে আরাম দিতে পারত, তার নিজেরও খুব ইচ্ছে করছিল ছেলের স্বাদ নিতে। লিঙ্গ থেকে বেরোনো বন্য গন্ধ তাকে ডাকছিল প্রবল ভাবে। সে চাইলেই পারতো ছেলেকে হালকা করে দিতে, নিজের খিদে মেটাতে। কিন্তু তার ইচ্ছে করলো ছেলেকে একটু খেলাতে। ছেলের চোখের তৃষ্ণা তার ইগোকে আরাম দিচ্ছিল। ছেলের লিঙ্গ শক্ত থাকছে কিনা দেখার জন্যই সে তাকে প্যান্ট পড়তে দেয়নি। পাউডার লাগানো তো অজুহাত মাত্র।
বিছানায় শুতেই সোহম মহুয়াকে জড়িয়ে ধরলো। সে যেন আর পারছিল না সহ্য করতে। ছেলেকে জড়িয়ে ধরে মহুয়া ছেলের লিঙ্গটা হাত দিয়ে ধরলো। সোহম যেন একটু আরাম পেলো। এতক্ষণের অপেক্ষা তার। ছেলের মুখোমুখি শুয়ে গল্প করতে করতে ছেলের লিঙ্গটা ধরে খেলা করতে লাগলো মহুয়া। লিঙ্গটা গরম হয়ে দপদপ করছে। ছেলেকে সে বলল “খুব ভালোলাগে না মা এখানে আদর করলে?” সোহম হিসহিস করতে করতে বলল “খুব ভালো লাগে মা”।
–“সেটা তো বুঝতেই পারছি।”
–“একটু আদর করো না মা ওখানে”
–“কেন রে? তোর বউ করবে আদর। আমি কেন করবো?”
এই কথার কি উত্তর দেবে সোহম বুঝতে পারল না। সে বলল “বউ চাই না, তুমি করো আদর। তুমি তো আমার গার্লফ্রেন্ড”
মহুয়া একটু রাগের ভান করে বলল “খুব আরাম, না? আর মাকে কে আরাম দেবে? মাকে কে আদর করবে?” সোহম বুঝতে পারল না এই কথার কি উত্তর দেবে। মাকে সে কিভাবে আরাম দেবে বুঝতে পারছিল না। সে একটু ভেবে বলল “আমি করবো তো আদর”
–“কর তাহলে আদর দেখি”
সোহম মহুয়াকে দুই হাতে জড়িয়ে ধরে মুখে চোখে কপালে অনেক চুমু খেতে লাগলো। উত্তেজিত মহুয়াও ছেলেকে অনেক চুমু খেতে থাকলো। আর ঘোড়ার লাগামের মত ছেলের লিঙ্গটা ধরা থাকলো মহুয়ার হাতে। যেন সেটা দিয়ে সে ছেলেকে কন্ট্রোল করছে।
মহুয়া ছেলেকে আদর করতে করতেই টেনে নিজের ওপর নিয়ে এলো। মায়ের ওপর শুয়ে সোহম মায়ের ঠোঁটে চুমু খেতে থাকলো। জিভ ঢুকিয়ে দিলো মায়ের মুখের ভেতর। মহুয়া ছেলের নিচের ঠোঁটটা কামড়ে দিল জোরে। সোহম “আহ” করে উঠলো। মহুয়া বলল “লাগলো?” সোহম বলল “একটু”
–“ছোটবেলায় দুদু খাওয়ার সময় তুই এরকম কামড়ে দিতিস। আজ প্রতিশোধ নিলাম”
–“তাই?”
–“বানিয়ে বলছি নাকি?
–“রোজ খেতাম দুদু?”
–“খাবি নাকি আবার? ছোটবেলায় মতো?” এই সব কথাই হচ্ছিল চুমু খেতে খেতে। কথার মাঝে মাঝে দুজনেই থামছিল চুমু খাওয়ার জন্য।
সোহম কি বলবে বুঝতে না পেরে মায়ের বুকের দিকে তাকালো। মহুয়া ছেলের মাথাটা হাত দিয়ে চেপে নিজের একটা বুকের ওপর নিয়ে এলো আর বলল “খা দেখি”।
এক চান্সেই মহুয়ার শক্ত হয়ে থাকা স্তনবৃন্তটা সোহমের মুখে ঢুকে গেল নাইটির ওপর দিয়েই। সোহম সেটা চুষে চুষে খেতে লাগলো। নাইটি ভিজে গেল সোহমের মুখের লালায়। মহুয়া ছেলেকে একটু সরালো নিজের বুক থেকে। তারপর নিজের নাইটির একটা কাঁধ নামিয়ে দিয়ে একটা স্তন বের করে আনল। তারপর ছেলেকে বলল “আয়..”
সোহম বিস্ফারিত চোখে তাকিয়ে থাকলো স্তনের দিকে। নাইট বালবের অল্প নীল আলোয় দেখা যাচ্ছে কি সুন্দর গোল স্তন মায়ের। তার ওপরে কালো রংয়ের বৃন্ত, উঁচু…. যেন তাকে ডাকছে। এতদিন যে বুক আড়াল থেকে জামার ওপর দিয়ে দেখার চেষ্টা করেছে সেই বুক আজ তার মুখ থেকে মাত্র এক ইঞ্চি দূরে। যন্ত্রচালিত রোবটের মত সোহম মুখ নামিয়ে আনলো স্তনবৃন্তের ওপর। তার ব্রেন আর যেন কাজ করছিল না। গত কয়েকদিন ধরে যে শরীর সে লুকিয়ে দেখার চেষ্টা করছিল আজ সেটা তার এত কাছে। মায়ের সুন্দর বুক তার নাগালের মধ্যে, এমনকি সেটা সে স্বাদ নিতে পারছে এটা যেন সে ভাবতেই পারছিল না।
মহুয়া ছেলের মাথাটা চেপে ধরলো নিজের বুকে। সোহম প্রাথমিক বিস্ময় কাটিয়ে মায়ের স্তনবৃন্তটা দাঁত দিয়ে কামড়ে ধরলো। তারপর চুকচুক করে চুষে খেতে লাগলো। দুধ নেই কিন্তু কি সুন্দর স্বাদ মায়ের বুকের। কি অসম্ভব নরম মায়ের বুক। জিভ দিয়ে সে অনুভব করতে পারছিল বৃন্তের চারপাশে রোমকূপ গুলো শক্ত হয়ে কাঁটার মত হয়ে আছে। পরম সুখে সে মায়ের স্তনবৃন্ত চুষে খেতে লাগলো। মহুয়ার মুখ থেকে তখন শুধু “আহহ মমম ওহঃ” এরকম আওয়াজ বের হচ্ছে। ছেলের চুলের মুঠি টেনে ধরে আছে সে দুই হাতে। লিঙ্গ এখন তার হাতছাড়া। শুধু নিজের থাই এর কাছে অনুভব করতে পারছে ছেলের লিঙ্গ শক্ত হয়ে খোঁচা মারছে। নিজের দুই পা দিয়ে ছেলেকে জড়িয়ে ধরে আছে মহুয়া। তার নাইটি কোমরের কাছে উঠে গেছে, তার খেয়াল নেই। তার নিম্নাঙ্গের লজ্জা নিবারণ করছে শুধু তার কালো ভিজে সপসপে প্যান্টিটা।
সোহম একবার জিজ্ঞেস করলো “তোমার ব্যথা লাগছে মা?”
মহুয়া বলল “না না, ব্যথা লাগেনি বাবা। খাও তুমি” বলে ছেলের মাথায় হাত বুলিয়ে দিলো মহুয়া। সোহম আবার মুখ নামিয়ে দুদু খেতে লাগলো।
একটু পরে আর থাকতে না পেরে নিজেই নিজের আরেকটা স্তন বের করে দিলো মহুয়া। “এখানে আয়” বলে সোহমের মাথাটা ধরে অন্য স্তনের ওপর নিয়ে এলো সে। সোহম আগেরটা ছেড়ে এটা খেতে থাকলো। আর একটা হাত দিয়ে আগের স্তনটা ধরে থাকলো চেপে। মহুয়া ছেলের হাতের ওপর দিয়ে নিজের হাত রাখলো।
মায়ের নগ্ন ঊর্ধাঙ্গের সঙ্গে নিজের উলঙ্গ দেহের স্পর্শে সোহমের অবস্থা খারাপ হয়ে যাচ্ছিল। মায়ের তুলোর মত নরম বুক, মায়ের শিৎকার সব মিলিয়ে এ তার জীবনের একটা নতুন অভিজ্ঞতা। কৈশোরের অনভিজ্ঞ লিঙ্গ এই চাপ রাখতে পারছিল না। সোহম নিজের অজান্তেই নিজের লিঙ্গ ঘষছিল মায়ের তলপেটে। সেই স্পর্শে মহুয়া পাগল হয়ে যাচ্ছিল। তার আর ছেলের যৌনাঙ্গের মাঝে শুধু তার প্যান্টি। সোহম নিজের পা দিয়ে মায়ের থাই এর স্পর্শ অনুভব করতে পারছে। তার উম্মুক্ত লিঙ্গ মায়ের প্যান্টিতে ঘষা খাচ্ছে। খুব খুব আরাম হচ্ছে সোহমের, মহুয়ারও। সোহম প্রবল ভাবে ঘষছিল তার লিঙ্গ।
হঠাৎ মহুয়া একটু সতর্ক হয়ে উঠল। ছেলের লিঙ্গটা হাত দিয়ে ধরে হিসহিস বলল “কি করছিস ওখানে?”
সোহম ভাবলো মা রাগ করলো বুঝি। সে আমতা আমতা করে সরিয়ে নিল নিজেকে। মহুয়ার খুব ইচ্ছে করছিল ছেলেকে নিজের মধ্যে নিতে। কিন্তু প্রচলিত সংস্কার তাকে বাধা দিল। নিজেকে শেষ মুহূর্তে কোনো রকমে সামলে নিয়ে সে ছেলেকে আটকালো। নিজে কন্ট্রোল নেওয়ার জন্য ছেলেকে ঠেলে চিত করে দিয়ে ওপরে উঠে এলো মহুয়া। ছেলের কোমরের কাছে বসে বললো “ওখানে না, শুধু এখানে। ঠিক আছে?” বলে নিজের বুক গুলো আবার ছেলের মুখে দিলো মহুয়া। সোহম মাথা নেড়ে হ্যাঁ বলে আবার ভাল ছেলের মত মায়ের দুদু খেতে লাগলো। মহুয়া হাত বাড়িয়ে ছেলের লিঙ্গটা নাড়াতে থাকলো। মুখের সামনে ঝুঁকে থাকা মায়ের ঝুলন্ত বুক গুলো দেখে সোহম মুখ তুলে তুলে একটা একটা করে খেতে লাগলো। নিজের থাই তে অনুভব করলো মায়ের নগ্ন থাই এর স্পর্শ। খানিকক্ষণ এমন চলার পর সোহমের ক্ষমতা শেষ হয়ে এলো। অভিজ্ঞ মহুয়া সেটা বুঝতে পেরে নিচে নেমে এলো।
ছেলের থেকে চরম সুখ না নিলেও ছেলের বীর্য সে এমনি এমনি নষ্ট হতে দেবে না।এই বীর্যের প্রতিটা ফোঁটা তার। নিচে নেমে এসে ছেলের পুরুষাঙ্গটা নিজের মুখে পুরে নিলো মহুয়া। এমনিতেই ক্ষমতার শেষ সীমায় পৌঁছে যাওয়া সোহম এক মিনিটও ধরে রাখতে পারল না নিজেকে। মায়ের চুলের মুঠি টেনে ধরে মায়ের গরম মুখগহ্বরে নিজেকে নিঃশেষ করে দিলো সোহম। চুষে চুষে পুরোটা বীর্য খেলো মহুয়া। “আহ্…. কি সুস্বাদু এই বীর্য। পৃথিবীর কোনো খাবারের স্বাদ এর সামনে কিচ্ছু না।”
বিছানায় শুয়ে অনেকক্ষণ চুপচাপ হাঁফাতে লাগলো দুজনে। সোহমের মাথা বালিশে। আর মহুয়া সোহমের কোমরের কাছে উপুড় হয়ে শুয়ে, তার মুখ ঠিক সোহমের নেতিয়ে থাকা লিঙ্গের মুখের সামনে। খোলা কালো চুলে ঢেকে গেছে সোহমের কোমর। সে শুধু মায়ের গরম নিশ্বাস অনুভব করছে নিজের পুরুষাঙ্গে। আর মনে মনে ভাবছে এতক্ষণ যেটা হলো সেটা কি সত্যি? না স্বপ্ন?
রাতে ছেলের আবদারেই খালি গায়ে শুতে হলো মহুয়াকে। আগেরদিন তার কথায় ছেলে উলঙ্গ হয়ে ঘুমিয়েছিল। আজ ছেলে তাকে জোর করলো। ঠিক এরকম জোর করতো অশোক, সম্পূর্ণ উলঙ্গ হয়ে শুতে হতো তাকে। এখন অবশ্য নাইটিটা আছে কিন্তু শুধু কোমর থেকে নিচে। উর্ধাংগে একটা সুতোও নেই মহুয়ার। শুধু বুকের ওপর ছেলের একটা হাত, একটা হাত দিয়ে একটা বুক মুঠো করে ধরে ঘুমাচ্ছে সোহম। একটা পা মায়ের গায়ের ওপর তোলা, আর লিঙ্গটা নেতিয়ে ঠেকে আছে মহুয়ার কোমরের কাছে। পরম আরামে ঘুমাচ্ছে ছেলেটা। মহুয়ার আরামের মধ্যে কোথায় যেন অল্প অতৃপ্তি রয়ে গেছে। কিন্তু ওই বাধাটুকু পার করতে সাহস হয়নি তার। হাজার হোক তারা মা-ছেলে।
এই গল্পের পরবর্তী পর্ব আসছে…
বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রাপ্তবয়স্ক টেলিগ্রাম গ্রুপে যুক্ত হয়ে খুঁজে নিন নিজের সেক্স পার্টনার এবং হাজার হাজার ভাইরাল ভিডিও উপভোগ করুন।🔞 এখানে ক্লিক করুন

