ছেলে আর বিধবা মায়ের যৌনতা – ১ম পর্ব

আমি মোকতার হুসেন মিশু,বয়স ২৪,উচ্চতা ৬’।

৫ বছর আগে আর্মিতে ভর্তি হয়েছি,

বর্তমান পোস্টিং রাঙ্গামাটি।

বাড়ী রাজশাহী।

বাড়ীতে মা আর ছোট একটা বোন আছে,

বাব মোশারফ হুসেন, অনেক আগে মারা গেছে,আমি তখন নাইনে পড়ি আর ছোট বোনটা ফাইবে।

তখন থেকে মা নিজে সংগ্রাম করে সংসার চালিয়েছে,ঘরে বসে সেলাইমেশিন দিয়ে মানুষের কাপড় বানিয়ে বানিয়ে আমাদের ভরনপোষণ করেছে,কিছু চাষের জমি ছিলো তাই রক্ষে।

না-তো আমার চাচা কাকারা যেমন হারামী এক মুঠো ভাত তুলে দেওয়ার মানুষ ছিলো না।

নানা নানী দাদা দাদী অনেক আগেই পটল তুলেছে,মামা মামীরা কিছুটা সহযোগিতা করেছে, তাও না-করার মতো,

করেছে যাতে মা যা ভাগে পেতো তা লিখিয়ে নিতে পারে।

আমার ভোলি মা সরল মনে তা দিয়েও দিয়েছে।

যা হোক আমি কলেজে ভর্তি হয়েছি কেবলই,

এমন সময় শুনলাম আর্মিতে লোক নিবে।

মা’কে বলে লাইনে দাঁড়িয়ে গেলাম।

আমার নিজের উপর ভরসা ছিলো,

কারন আমি মোটামুটি সব দিকেই ফিট্।

যেমন উচ্চতা তেমন বডি,মা বলে আমি আমার নানা মামাদের মতো হয়েছি, ঠিক পালোয়ান।

বাবা কাকারা তো একেকটা টিনটিনে, সব কয়টা শুধু বদের হাড্ডি।

যা হোক ভালোই ভালোই টিকে গেলাম।

বাড়ীতে খুশির ঢোল বেজে উঠলো,

সবাই বলা বলি করলো, যাক ছেলেটা কাজে লাগলো এখন যদি সোনালীর কষ্ট দুর হয়।

হা আমি আমার মা’র কষ্ট দুর করার জন্য কোন দিকে না তাকিয়ে খেলাধুলা করার বয়সে চাকরিতে চলে গেলাম।

গ্রামের বাড়ী হওয়াতে ভয়ের কিছু নেই,আশে পাশে তো কাকা চাচারা আছে।

বর্তমান —

বোন সারমিন আক্তার ১৯, ইন্টার সেকন্ড ইয়ারে পড়ে,বাবার মতো টিন টিনে কাঠি,

আমারই এমন মেয়ে পচ্ছন্দের না,

জানি না অন্য ছেলে কি বাল পচ্ছন্দ করবে।

মা সোনালী বেগম,বয়স মনে হয় ৪১- বা ৪২ হবে, দারুন দেখতে,এখনো যুবতী মেয়েদের সাথে পাল্লা দিতে পারবে,।

ভরাট দেহ,ফর্সা লাল টকটকে, মা’র দিঘল কালো চুল ঘনো মেঘের ভেলা, এতো ঘনো লম্বা চুল যে তা সারা পিঠ বেয়ে কোমর ছড়িয়ে নিচে নেমে যায়।

মা’র পেটের ভাজ দেখলে যে কেও অবাক হয়ে চেয়ে থাকবে।

মা বসে কাজ কাম করলে পিঠের দুই সাইডেও চামড়ার ভাজ পড়ে,যা ব্লাউজের নিচ থেকে শুরু হয়।

অনেক দিন মা সেলাই করছে আর আমি পিছোনে দাঁড়িয়ে এটা ওটা করার বাহানায় তা দেখছি,

মা’র দুধ দুটো এতো ভরাট যে মনে হয় সারা বুক জুড়ে ছড়িয়ে থাকে,যেদিন যেদিন খাবার বেড়ে দেওয়ার সময় ক্লিভেজ দেখতে পেয়ে যায়,

সেদিন তো দিনটায় রঙিন হয়ে যায়।

৩৬ সাইজের দুধ আর ৪০ সাইজের পাছা,৩২ সাইজের কোমর,ভিষণ সেক্সি লাগে দেখতে।

লাল টকটকে ঠোঁট আর টানাটানা চোখ,

সব মিলিয়ে আমার কামনার নারী আমার জন্মদানকারি বিধবা নধর যৌবনা রসালো মা।

যা চরম পাপ,যা কখনো পাওয়ার নয়,।

সবই জানি, সবই বুঝি,তারপরও মনের কোথায় যেন সোনালীকে নিয়ে স্বপ্নের নীড় রচনা করি।

যেখানে মা নয় সে আমার সোনালী,শুধু সোনালী।

আমার মনের এ গোপন চাওয়ার কথা শুধু আমি জানি।

আমার সরকারি বেতনে মা’র রুপ যেনো দিনকে দিন বেড়েই চলছে।

মা’র গর্বে বুক সব সময় ফুলে থাকে,

গ্রামে সব সময় আমার জয় জয়কার।

পাঁচ বছরে ভাঙা ঘর পাকাঁ করেছি,

এখন চার রুমের বাড়ীটা আমাদের শান্তির নীড়।

এবার ছুটিতে এসেই মা বাইনা শুরু করলো আমার বিয়ে দিবে।

যদিও এটা অনেক আগে থেকেই চলছে।

আমি শুধু বার বার এড়িয়ে যাচ্ছি,

আজ এ নিয়ে মা’র সাথে মুখ কালাকালি হয়ে গেলো।

মা’র এক কথা সারমিন বড়ো হয়েছে বিয়ে দিতে হবে,এরি মাঝে কয়েকটা সম্বন্ধ এসেছিলো,

তার বিয়ে হয়ে গেলে সে একা একা কিভাবে থাকবে,হ্যান ত্যান কতো কথা।

আমি এসেছি শুনে ছোট মামা এলো,সারাদিন থেকে বিকেলে যাওয়ার সময় আমাদের সবাইকে নিয়ে যেতে চাইলো,আমরা না যাওয়াতে জোর করে সারমিনকে নিয়ে গেলো,বললো দু’দিন পর মা বেটা গিয়ে বেড়িয়ে আসবে আর সারমিনকে নিয়ে আসবে,,

আমাকে আর মা’কে নিয়ে যাওয়ার জন্য আর কি এমনটা করলো।

সন্ধ্যা থেকে আকাশটা মেঘলা হয়ে আছে দেখে বাইরে গেলাম না,।

না হলে দু’দিন থেকে এসে সন্ধ্যার পর বন্ধুদের সাথে আড্ডা মারতে বেরিয়ে পড়ি।

আজ গেলাম না দেখে মা-ও খুব খুশি।

গরম গরম পকোড়া ভেজে দিলো।

বিছানায় বসে মা বেটা মিলে আরাম করে খাচ্ছি।

মিশু?

হু মা?

কাউকে পচ্ছন্দ করিস?

আমি মা’র মুখের দিকে তাকিয়ে মুচকি মুচকি হাসছি।

বল না করিস?

করলে এতোদিন তুমি জানতে না,তবে হা এক জন’কে খুব ভালো লাগে,এবং এ-ও জানি তাঁকে আমি পাবো না।

কেন কেন পাবিনা,আমার ছেলে কি দেখতে খারাপ,কোন লাটসাহেবে বেটি সে রে?

হা হা তুমি দেখি রেগে গেলে।

রাগবো না,এমন সোনার ছেলে আমার,

আর কি না —বল তুই কে সে?

বাদ দাও মা,আমার যাকে ভালো লাগে তার কথা দুনিয়ার কাওকে বলতে পারবো না,শুধু খোদাকে ছাড়া।

মা আমার এমন গম্ভীর কথা শুনে অবাক হয়ে চেয়ে রয়েছে।

এটা কি কথারে বাবা,আমাকে বলতে না পারিস তোর ভাবি মানে রাসেলের বউয়ের কাছে বলিস তুই।

না মা,তা না,তুমি আমার সব চেয়ে বড়ো বন্ধু, তোমাকেই যেহেতু বলতে পারছি না সেখানে বলতে গেলে তারা তো আমাদের শত্রু,তাদের বলতে যাবো কেন?

তাহলে বল না, কে সে?কোথায় বাড়ী?কোন বাড়ীর মেয়ে?

আমি চুপ করে বসে রয়েছি।

মা অনেক্ষন আমার উত্তরের অপেক্ষায় থেকে মুখ গোমড়া করে চলে গেলো।

ঘনো ঘনো বিদুৎ চমকাচ্ছে,আকাশটা কালো হয়ে আছে,রাতের তাঁরা গুলো না জানি কোথায় ডুব দিয়েছে,আমি জানালার গ্লাস খুলে দিয়ে ঠান্ডা হাওয়া গায়ে মাখছি,হাত বাড়িয়ে ব্যাগটা নিয়ে খুললাম,সিগারেটের প্যাকেটটা বের করে একটা ধরিয়ে টানছি,প্যাকেট রাখতে গিয়ে মোবাইলের বক্সটার কথা মনে পড়লো।

সারমিনের জন্য যা যা এনেছিলাম সব দিয়েছি,

শুধু মার গুলো দেওয়া হয়নি,চেয়েছিলাম দিতে,

এমন সময় ছোট মামা এলো তাই আর দেওয়া হয় নি।

নতুন এ্যান্ড্রেয়েড সেট,মা খুব খুশি হবে,

আরেক বক্সে একটা সর্ণের চেইন,

মা’র যেটা ছিলো সেটা আমার এসএসসির ফর্ম ফিলাপের সময় বিক্রি করে দিয়েছিলো।

তখন থেকে মা’র গলা খালি।

আরো কয়েকটা জিনিস আছে মা’র জন্য,।

আয় খেয়ে নে,ঝড় আসতে পারে,কারেন্ট চলে গেলে খেতে ঝামেলা হবে।

আমি তাড়াতাড়ি সিগারেট টা জানালা দিয়ে বাইরে ফেলে দিয়ে, হা দাও।

কি লজ্জা,মা সিগারেট খেতে দেখে নিলো,

জানে আমি খায়,তবে এভাবে দেখেনি কখনো,

ঘরে বসে সিগারেট খাওয়াটা ভুল হয়ে গেছে,

সারা ঘরে সিগারেটের ধোঁয়া।।

মা বেটা খেয়ে দেয়ে উঠলাম।

মা,,

বল,,

আমার রুমে এসো তো একটু।

তুই যা, থালাবাসন গুলো গুছিয়ে আসছি।

আমি রুমে এসে শুয়ে রইলাম,মা আধাঘন্টা পর হাত মুছতে মুছতে এলো,

কি রে বাবা?

আমি উঠে মা’র হাত ধরে খাটে নিয়ে বসালাম।

ব্যাগ থেকে এক এক করে শাড়ী ব্লাউজের কাপড় ছায়ার কাপড়,একটা বাদুড় বোরকা,দুটো ওড়না, একটা শীতের জামা,চাদর, ও একটা প্যাকেট দিলাম। (প্যাকেট টা দিলাম ভয়ে ভয়ে,কারন ওতে দুসেট ব্রা প্যান্টি আছে,জানিনা দেখার পর কি বলবে)

এতো কিছু কি জন্য এনেছিস?তুর কি বুদ্ধি শুদ্ধি হবে না কখনো?প্রতিবারই এতো কিছু আনা লাগবে?

আহ থামো তো তুমি,যা লাগে তা আনবো না,।

এটা তে কি রে?

না, ওটা এখন খুলবে না,তোমার ঘরে গিয়ে খুলবে,আর প্লিজ রাগ করবে না।

কি আছে এতে?

তা তুমি খুলে দেখে নিও।

আর হা আরো কিছু আছে এই বলে মোবাইলটা দিলাম।

একটা থাকতে আরেকটা এতো দামি মোবাইল?

তোমার চেয়ে কোন কিছু দামি নয় আমার কাছে,

এই বলে গালে একটা চুমু দিলাম।

মাও আমার কপালে চুমু দিলো।

চোখ বন্ধ করো তো।

কেন রে?

আহ করো না একটু।

মা হেসে দিয়ে চোখ বন্ধ করলো।

আমি চেইনটা মা’র গলায় পরিয়ে দিলাম।

এখন চোখ খুলো মা।

মা চোখ খুলে সর্ণের চেইনটা দেখে হুহু করে কেঁদে দিলো।

না মা না,কাঁদবে না, প্লিজ মা কেঁদেনা,তোমার মুখে হাসি দেখবো বলে নিয়ে এসেছি,সেখানে তুমি যদি কাঁদো তাহলে আমার খুব কষ্ট হবে মা,,

না রে বাবা কাঁদছি না,তুই বুঝবি না এটা কিসের কান্না,।

খুশি হয়েছো মা?

হা রে বাবা অনেক খুশি হয়েছি,,

এই বলে মা দাঁড়িয়ে আমাকে জড়ীয়ে ধরলো,

আমি তো কেঁপে উঠলাম,মা কখনো এভাবে আমাকে জড়ীয়ে ধরেছে বলে মনে পড়ে না।

ইস মা’র শরীরটা কি নরম,কি সুন্দর ঘ্রাণ,

দুধ দুটো আমার বুকে পিষ্ট হচ্ছে,

মা অনেকটা খাটো হওয়াতে তার মাথাটা আমার থুতনির নিচে,চুল থেকে সুবাস এসে নাকে লাগছে।

নাক মুখ ডুবিয়ে দিলাম চুলে।

ধিরে ধিরে বাড়া মশাই খাড়া হচ্ছে ।

দু-হাত দিয়ে মার পিঠ জড়ীয়ে আছি,

মন চাচ্ছে হাত দু’টো আরেকটু নিচে নিয়ে পাছায় রাখি,একটু টিপি।

তবে সাহস পাচ্ছি না।

মা আমার যা রাগী মানুষ, ছোট বেলায় কতো বেত পিটা করেছে তার হিসাব নেই।

মা’র মুখটা দু-হাত দিয়ে ধরে কপালে একটা চুমু দিলাম,আর কখনো কাঁদবেনা মা,আমি যেনো তোমার চোখে পানি না দেখি।

আচ্ছা বাবা আর কাঁদবো না।

তো যাও লাল তাঁতের শাড়ীটা পরে দেখাও তো,

দেখি কেমন লাগে আমার মা’কে।

যা পাগল, আমি বিধবা মেয়ে লোক,এমন লাল টকটকে শাড়ী পরলে মানুষে কি বলবে?

কে কি বললো তাতে তোমার কি যায় আসে,

আর এখানে মানুষ আসবে কোথা থেকে,মানুষর সামনে না পরতে চাইলে পরো না,এখন আমাকে তো পরে দেখাও।

আমার খুব মন চাইছে সাজুগুজু করে কেমন লাগে দেখতে।

তাই,ইস আমার বাবা এনেছে আর আমি পরবোনা তা কি হয়,তবে মানুষের সামনে কখনো পরতে বলিস না রে।

ঠিক আছে মা,আমি শুধু আমার সুন্দরী মা’কে দু-চোখ ভরে দেখতে পেলেই হলো।

যা দুষ্টু, মা কে কেও সুন্দরী বলে?

হা হা হা,তাই?তাহলে কি বলবো গো?

হি হি হি তুইই জানিস কি বলবি।

বেয়াদবি নিওনা,প্যাকেটে যা আছে তাও পরো।

কি আছেরে এতে?

যাও খুলে দেখো।

মা চলে গেলো,আমি পিছোন থেকে তার পাছার দোল দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলাম।

চলবে……

বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রাপ্তবয়স্ক টেলিগ্রাম গ্রুপে যুক্ত হয়ে খুঁজে নিন নিজের সেক্স পার্টনার এবং হাজার হাজার ভাইরাল ভিডিও উপভোগ করুন।🔞 এখানে ক্লিক করুন

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!
Scroll to Top